জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে ফেব্রুয়ারির যেকোনো দিন : প্রতিমন্ত্রী

 





করোনাভাইরাস সংক্রমণ হ্রাসে দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ থাকা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ফেব্রুয়ারি মাসের যেকোনো দিন খুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন।


মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির যেকোনো দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেব আমরা। এ বিষয়ে সরকারের নির্দশনা মেনে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দশনা অনুযায়ী সময় নির্ধারণ করব।’


প্রতিমন্ত্রী আরেক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহে (বিদ্যালয়) খুলে দেয়ার চিন্তাভাবনা করছি।’


‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুতি নেয়ার জন্য ইতোমধ্যে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে এবং একটি গাইডলাইন অনুসরণ করতে বলা হয়েছে,’ বলেন জাকির হোসেন।


প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যালয় খুলে দিয়ে সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে পালা করে ক্লাস নেয়ার ব্যবস্থা চালু করা হবে। এ ক্ষেত্রে সপ্তাহে দুই-এক দিন পঞ্চম শ্রেণী এবং এভাবে পর্যায়ক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর পাঠদান হবে। আর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর ক্লাস নেয়া হবে সপ্তাহে এক দিন করে।


বেসরকারি ও কিন্ডার গার্টেন স্কুল খোলার বিষয়ে কী নির্দশনা থাকবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বেসরকারি ও কিন্ডার গার্টেন স্কুল নিয়ে কিছু জানি না। কিন্ডার গার্টেন আমাদের কাছ থেকে কোনো নিবন্ধন নেয় না। তাই তাদের বিষয় কোনো দায়িত্ব আমাদের নেই।’


করোনার টিকা বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সকল শিক্ষক ও কর্মচারীকে টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। আর যেহেতু ১৮ বছরে নিচেদের টিকা দেয়ার সিদ্ধান্তে নেই সেহেতু শিক্ষার্থীরা তা পাবে না।’


গত ১৫ জানুয়ারি সরকারি এক সিদ্ধান্তে মহামারি করোনার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এর আগে, ভাইরাসের বিস্তার রোধে কয়েক ধাপে বাড়তে থাকা ছুটি ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিল।


গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হবার পর ১৭ মার্চ স্কুল, কলেজসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে অনলাইনে ক্লাস চলছে।


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটির পাশাপাশি গত বছরের এইচএসসি ও সমমান, প্রাথমিক সমাপনী ও সমমান এবং জেএসসি ও সমমান পরীক্ষা বাতিল করে সরকার।


সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুরা যাতে আবার তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে আসতে পারে এবং তাদের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পুনরায় শুরু করতে পারে সে জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে।


সূত্র : ইউএনবি


মন্তব্যসমূহ