ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

১১ বছরের মেয়েকে প্রিন্স সালমানের সঙ্গে বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন দুবাই শেখ!



দুবাইয়ের শেখ মোহাম্মদ আল মাকতোম তার মেয়ে প্রিন্সেস জালিলাকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক মিডিল ইস্ট মনিটর এ তথ্য জানিয়েছে। তারা আরও জানায়, প্রিন্সেস জালিলার বয়স মাত্র ১১ আর মোহাম্মদ বিন সালমান তার থেকে বয়সে অন্তত ২২ বছরের বড়।   

ব্রিটিশ আদালতে বিষয়টি উপস্থাপন করেন মোহাম্মদ আল মাকতোমের স্ত্রী প্রিন্সেস হায়া বিনতে আল হুসেইন। গত বছর প্রিন্সেস হায়া আমিরাত থেকে ব্রিটেনে পালিয়ে আসেন এবং তার স্বামীর বিরুদ্ধে ডিভোর্সের মামলা করেন।

২০০০ সালে শেখ মাকতোম তার আরেক মেয়েকে অপহরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ১৮ বছর বয়সী শামসাকে কেমব্রিজ থেকে অপহরণের পর দুবাইতে নেয়া হয় এবং তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়। তাকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।

এর এক বছর পর শামসার ছোট বোন লতিফা ওমান সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে যাবার সময় এক ফরাসি নৌবাহিনীর কর্মকর্তা জিয়ান-পিয়ারে তাকে ভারতের গোয়ায় পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নেন।

 কিন্তু তার আগেই আমিরাতের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা লতিফাকে অপহরণ করে দুবাইতে নিয়ে যায়।

মন্তব্যসমূহ