কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

 কক্সবাজারের মহেশখালীর উদ্দেশে হেলিকপ্টারে চড়ে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি তেজগাঁও বিমান বন্দর থেকে মহেশখালীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীতে মাতাবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও হাটহাজারী এলাকায় যাবেন এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে নতুন ঘর হস্তান্তর করবেন। প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি : সকাল সাড়ে ১০টায় মহেশখালীর মাতাবাড়ির গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন, বেলা সাড়ে ১২টায় মহেশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আয়োজিত সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের অনুষ্ঠানে যোগদান, দুপুর ২টায় ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলম বাবুনগর মাদ্রাসায় আল্লাম শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ, সোয়া ৩টায় হাটহাজারীর আল জ...

৫০ পুরুষের সঙ্গে মডেলের যৌনতার ফাঁদ, হাতিয়েছেন ৪৬ লাখ টাকা

 


চক্রের মূল হোতা 


ভারতের মুম্বাইয়ের এক মডেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অন্তত ৫০ জন পুরুষকে ফাঁদে ফেলে তাদের কাছ থেকে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৬ লাখের বেশি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্ণাটক পুলিশ সম্প্রতি এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এনেছে। ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি পুলিশি অভিযোগ করার পরেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে।


ভুক্তভোগী ব্যক্তি তার পুলিশি অভিযোগে জানান, ওই মডলের নাম নেহা আলিয়াস মেহের। বার্তা আদান প্রদানের মাধ্যম টেলিগ্রামে তাদের প্রথম যোগাযোগ হয়। এরপর তারা হোয়াটস অ্যাপে কথা বলা শুরু করেন।


ওই মডেল ভুক্তভোগীকে জানান, তার স্বামী দুবাইতে কাজ করে এবং তিনি শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন। নেহা তার অন্তরঙ্গ ছবি ও বাসার ঠিকানা পাঠায়।


ভুক্তভোগী ব্যক্তি গত ৩ মার্চ বিকেল ৩ টা ৩০ মিনিটে নেহার বাসায় যায়। তিনি দাবি করেছেন, সেইসময় তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি নেহার বেডরুমে আসে এবং তাকে বিভিন্ন জেরা করতে থাকে এবং এরপর নির্যাতন শুরু করে।


এরপর ওই তিন ব্যক্তি তাকে রাস্তায় নগ্ন করে ঘোরানো হবে বলে হুমকি দেয়। তারা তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা দাবি করে। এরপর প্রথমে তিনি ২১ হাজার রুপি তাদের দেন।


ভুক্তভোগী ব্যক্তি পুলিশকে বলেন, সেদিন তাকে রাত ৮ টা পর্যন্ত আটকে রাখা হয় এবং আরও আড়াই লাখ রুপি ক্রেডিড কার্ড দিয়ে দিতে বলা হয়। তবে তিনি সেইসময় তাদের বলেন, তার ক্রেডিট কার্ড বাসায় আছে এবং এরপর অভিযুক্তদের নিয়ে ক্রেডিট নিতে এলে তিনি পালাতে সক্ষম হন। এরপরেই পুলিশের কাছে এসে সব বলেন এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করে।


তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, যৌনতার ফাঁদ পেতে অন্তত ৫০ জন পুরুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এ চক্র। তারা ৪৬ লাখের বেশি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।


ইতিমধ্যে চক্রের তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ধরা পড়েছেন নেহাও। এ নিয়ে আরও তদন্ত চলছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ