তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ইউক্রেনে ৪০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা অনুমোদন মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে

 




ইউক্রেনের জন্য ৪০ বিলিয়ন ডলারের একটি সহায়তা প্যাকেজের অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ। আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।


৩৬৮-৫৭ ভোটের ব্যবধানে সহায়তা প্যাকেজ বিলের অনুমোদন দিয়েছেন কংগ্রেস সদস্যেরা। গতকাল মঙ্গলবার সহায়তা প্যাকেজটির অনুমোদন দেওয়া হয়।


সহায়তা প্যাকেজ ইস্যুতে ভোটদানকারী ডেমোক্র্যাটদের সবাই এ প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিয়েছেন। রিপাবলিকান পার্টির প্রতি চার জনের মধ্যে তিন জনই এটিতে সমর্থন দিয়েছেন।


এর আগে গত মার্চে ইউক্রেনকে ১৩.৬ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেয় মার্কিন কংগ্রেস। নতুন সহায়তা প্যাকেজটি পাস হওয়ায় দুই দফায় ইউক্রেনে মার্কিন সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৫৪ বিলিয়ন ডলার।


এদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং পূর্বাঞ্চলীয় দনবাসে রাশিয়ার বিজয়েও এ যুদ্ধ থামবে না বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক এভ্রিল হেইনস এমন সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন।


এভ্রিল হেইনস সিনেটের এক শুনানিতে বলেছেন, আগামী কয়েক মাসে রাশিয়ার সামরিক কর্মকাণ্ড বাড়তে পারে এবং তা আরও অনিশ্চয়তার দিকে অগ্রসর হতে পারে। চলমান প্রবণতা পুতিনকে আরও কঠোর পথে ধাবিত করছে।


তবে, কিছু রিপাবলিকান বিলটির বিরোধিতা করেছেন। ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনা করে খুব দ্রুত মার্কিন করদাতাদের ডলার বিদেশে পাঠানো হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সহকর্মী ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ নিয়ন্ত্রণ করছে, তবে, বিলটি সিনেটে যেতে রিপাবলিকানদেরও ভোটের প্রয়োজন হবে।

মন্তব্যসমূহ