তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ঝালকাঠিতে ১৩ হাজার ৭৪৬ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার

 




ঝালকাঠিতে এক ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে ১৩ হাজার ৭৪৬ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা শহরের আড়তদারপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই পরিমাণ তেল উদ্ধার করেন।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঝালকাঠিতে সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে মজুদ করার অভিযোগ উঠে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। কেউ কেউ তেল মজুত করে বাড়তি দামে বিক্রি করছেন।


এমন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা শহরের আড়তদারপট্টি এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় গৌতম চন্দ্র হালদার নামে এক ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে ১৩ হাজার ৭৪৬ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়।

অবৈধভাবে তেল মজুত রাখার দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ওই ব্যবসায়ীকে। পরে তেল নিতে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে উদ্ধার করা তেল বিক্রি করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানি দাস।  


ঝালকাঠি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ইন্দ্রানি দাস জানান, বাজারে সয়াবিন তেল সংকট দেখিয়ে তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার জন্য অবৈধভাবে ব্যবসায়ীরা মজুত করেছেন। এ অপরাধে একজনকে জরিমানা করা হয়েছে। তার গোডাউন থেকে ১৬ কেজির ৮০০ টিন, পাঁচ লিটারের ৩৪ কার্টুন, ১৬ লিটারের ৪৮টি কন্টিনার এবং ৫০০ গ্রামের ১৬টি বোতল উদ্ধার করা হয়। তেলগুলো ক্রেতাদের কাছে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এমন অভিযান অব্যহত থাকবে বলেনও জানান তিনি।

মন্তব্যসমূহ