প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্টের বাড়িও জ্বালিয়ে দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা

 




সংঘর্ষে উত্তাল শ্রীলঙ্কা। সোমবার (৯ মে) সকালে দেশটির ক্ষমতাসীন রাজাপাকসের পরিবারের সমর্থকেরা বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলম্বোয় প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের বাইরে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর তাণ্ডব চালায় সরকারপন্থী সমর্থকরা। 


এরপর সন্ধ্যার দিকে এর পাল্টা জবাব দেয় বিক্ষোভকারীরা। তারা বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসে ও তার ভাই মাহিন্দা রাজাপাকসের পিতামাতার জন্য নির্মিত স্মৃতিসৌধ ধ্বংস করে দিয়েছে। হামবানটোটায় তাদের পারিবারিক বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। এটি কলম্বো থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে। 


এছাড়া তিন সাবেক মন্ত্রী ও দুই সংসদ সদস্যের বাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।


খবরে বলা হয়েছে, মাউন্ট লাভিনিয়া এলাকায় সাবেক মন্ত্রী জনস্টন ফেরনান্দোর আবাসিক ভবন ও বর্তমান এমপি সনাথ নিশানথার বাড়িতে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। এরপর তাতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। ভিডিওতে, জ্বলন্ত ঘর থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখা গেছে।


এছাড়া দেশটির কর্মকর্তারা বলেন, কলম্বোর কাছের নিত্তামবুয়া এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সামনে পড়েন এমপি অমরাকীর্থি আথুকোরালা। আন্দোলনকারীরা গাড়িটি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি গুলিবর্ষণ করেন। এতে দুই জন গুরুতর আহত হলে এক পর্যায়ে সংলগ্ন একটি ভবনে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। পরে সেখানেই তার মরদেহের সন্ধান মেলে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও জল ক্যানন নিক্ষেপ করে। এরপর কলম্বোজুড়ে কারফিউ জারি করে। পরবর্তীতে তা দেশজুড়ে জারি করা হয়। 


প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া বলেছেন, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৭ টা পর্যন্ত কারফিউ চলবে।

মন্তব্যসমূহ