জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন:ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগেই ৪০ শতাংশ মামলা

 


তথ্য ও মত প্রকাশের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন আর্টিক্যাল নাইনটিন বলছে, ২০২১ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বাংলাদেশে যত মামলা হয়েছে, তার মধ্যে ৪০ শতাংশ মামলাই হয়েছে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসহ সরকারি দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নামে কটূক্তির কারণে।


সরকারি দলের এসব নেতাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কিংবা মন্ত্রীরা ছাড়ারও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের মতো সংগঠনের নেতারাও রয়েছেন, যাদের নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে মামলা হয়েছে।


তবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক নজিবুল্লাহ হিরু বলছেন, মামলার উপাদান ছিলো বলেই এসব মামলা হয়েছে।


"কাউকে কটূক্তি করলে বা কুৎসা রটনা করলে তো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ আইনের সুরক্ষা চাইতেই পারে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।


আর্টিকেল নাইনটিন বলছে, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়া ২২৫টি মামলায় বিভিন্ন শ্রেণী -পেশার ৪১৭ জন ব্যক্তি অভিযুক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ৬৮ জন সাংবাদিকও আছে। এসময় ১৫ জন সাংবাদিক এই আইনের আওতায় গ্রেপ্তার হয়েছেন।


আর মামলাগুলো দায়েরের পরপরই বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে ১৬৬জনকে আটক করা হয়েছে।


আর্টিকেল নাইনটিন, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক, ফারুখ ফয়সল বিবিসি বাংলাকে বলছেন, "ডিজিটাল সিকিউরিটি মামলার বিষয়গুলো আমরা বিশেষভাবে মনিটর করি। এ বছর যা দেখছি যে ৯০টির মতো মামলা হয়েছে শুধু ক্ষমতাশালীদের কটূক্তির অভিযোগে। এটি প্রমাণ করে যে সরকার ও ক্ষমতাসীন দল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে অপব্যবহার করছে"।


মিস্টার ফয়সল বলছেন, "দল নয় বরং আইন হতে হবে মানুষকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য। কিন্তু ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সেটি করতে পারছে না। সে কারণে আইনের সংশোধনীর কিছু প্রস্তাব তারা সরকারকে দিয়েছেন।"


বিবিসি বাংলার পুরো নিউজ

মন্তব্যসমূহ