প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির আহ্বান বাইডেনের

 




গাজায় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে আট দিনের রক্তক্ষয়ী সহিংসতার পর যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।  তিনি সোমবার ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পক্ষে তার সমর্থন ব্যক্ত করেন।  মঙ্গলবার বিবিসির খবরে এই তথ্য জানানো হয়।


জো বাইডেন সোমবার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।  এই ফোনকলেই তিনি ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পক্ষে তার মত দেন।  তিনি নেতানিয়াহুকে বলেন, মিসরসহ বেশ কয়েক রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে সহিংসতা নিরসনের লক্ষ্যে। 


যুদ্ধবিরতির পক্ষে বাইডেন তার সমর্থন ব্যক্ত করলেও রোববার ইসরাইল-ফিলিস্তিনের মধ্যে সংঘাত বন্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আহ্বান সংবলিত বিবৃতি আটকে দেয় যুক্তরাষ্ট্র।  ইসরায়েলকে সমর্থন দিয়ে আসা যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তির কারণে নিরাপত্তা পরিষদের রোববারের বৈঠক থেকে কোনো ফল আসেনি।


ইসরাইল-ফিলিস্তিন সহিংসতা এখন দ্বিতীয় সপ্তাহে।  এটি বন্ধের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।


এই সংঘাতে গাজায় এখন পর্যন্ত ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এর মধ্যে ৬১ জনই শিশু।  আর হামাসের রকেট হামলায় ১০ জন মারা গেছেন।  ইসরাইল দাবি করেছে গাজায় যারা মারা গেছেন তাদের বেশিরভাগই জঙ্গি।  বেসামরিক যারা মারা গেছেন সেগুলো অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু বলছে ইসরাইল।  


জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় গাজায় ৩৮ হাজার মানুষের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে আড়াই হাজার।


হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপরাধ লোকজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরাইলকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।


দুই নেতা গাজায় হামাস ও অন্য ’সন্ত্রাসী গ্রুপের’ বিরুদ্ধে সামরিক অপারেশন নিয়েও আলোচনা করেন।


বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবিরতির পক্ষে তার সমর্থন প্রকাশ করেছেন।  একই সঙ্গে তিনি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন যে, দুপক্ষের মধ্যে সংঘাত বন্ধে মিসরসহ অন্যান্য অংশীদার দেশের সঙ্গে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র।


হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে গাজা থেকে ইসরাইলের দিকে রকেট ছোড়া হচ্ছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ভাষ্য, হামাস এখন পর্যন্ত ৩ হাজারের বেশি রকেট হামলা চালিয়েছে।  


ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে রোববার জরুরি বৈঠকে বসে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)।  বৈঠকে ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য ‘সুরক্ষা বাহিনী’ গঠনের প্রস্তাব তোলে তুরস্ক।

মন্তব্যসমূহ