মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

  ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনতার যুদ্ধ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ এবং মানুষের ভোটাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, বরং জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করে গণতন্ত্রকে পদদলিত করার ফলেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।  তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছিলেন, তারা অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে চাননি। এ কারণে স্বাধীনতা যুদ্ধের অসংখ্য ঘটনা, ত্যাগ ও বীরত্বগাঁথা এখনও যথাযথভাবে ইতিহাসে স্থান পায়নি, সেগুলো এখনও সাধারণ মানুষের কাছে অজানা রয়ে গেছে এবং সেই ইতিহাসকে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে ও জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। আজ শুক্রবার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস-এর ৫৪তম কমিশনিং ও ফেলোশিপ ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার পর এমন ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে যে, কেবল কয়েকটি ভাষণের মাধ্যমেই দ...

ইরফান সেলিমকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন স্থগিত

 




নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে মারধরের ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ।


রোববার আপিল বিভাগের অবকাশকালীন বেঞ্চ চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এক আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।


এর আগে গত ১৮ মার্চ এ মামলায় ইরফান সেলিমকে জামিন দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মোঃ বদরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন দেন।


আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সৈয়দ আহমেদ রেজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ড. বশির উল্লাহ।


এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট ইরফান সেলিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সাথে তাকে কেন জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করে আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।


গত ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিলেন। এ সময় হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের গাড়িটি তাকে ধাক্কা মারে। এরপর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়ান এবং নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে ইরফানের সাথে থাকা অন্যরা একসঙ্গে তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং মেরে ফেলার হুমকি দেন। তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালগালও করেন তারা।


এরপর ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মোঃ জাহিদুল মোল্লা, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত দু-তিনজনকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন ওয়াসিফ আহমদ খান।


ওই দিনই পুরান ঢাকার বড় কাটরায় ইরফানের বাবা হাজী সেলিমের বাড়িতে দিনভর অভিযান চালায় র‌্যাব।


এ সময় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদক রাখার দায়ে ইরফান সেলিমকে এক বছর কারাদণ্ড দেন। ইরফানের দেহরক্ষী মোঃ জাহিদকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে দেন ছয় মাসের সাজা।


এরপর ২৮ অক্টোবর র‍্যাব-৩ এর ডিএডি কাইয়ুম ইসলাম চকবাজার থানায় ইরফান সেলিম ও দেহরক্ষী জাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের পৃথক চারটি মামলা করেন।


সূত্র : ইউএনবি


মন্তব্যসমূহ