ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

নাইজেরিয়ায় মসজিদে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৫ : ১৮ জন মুসল্লিকে অপহরণ

 




নাইজেরিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যে নামাজ চলাকালে বন্দুকধারীদের এক হামলায় পাঁচজন মুসল্লি নিহত হয়েছেন। এ সময় বন্দুকধারীরা আরো ১৮ জন মুসল্লিকে অপহরণ করে। রোববার পুলিশ একথা জানিয়েছে। খবর এএফপি’র।


খবরে বলা হয়, দেশটির মারু জেলার দুতসেন গরি গ্রামে বাসিন্দারা সাপ্তাহিক জুমার নামাজ আদায় করার সময় মোটর সাইকেলে করে আসা প্রায় একশ’ গবাদি পশু চোর মুসল্লিদের ওপর গুলি চালায়।


রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র মোহাম্মাদ শেহু এএফপি’কে বলেন, সেখানে ডাকাত দলের বন্দুক হামলায় পাঁচ মুসল্লি নিহত হন এবং তারা আরো ১৮ জনকে অপহরণ করে।


এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ডাকাতরা ৩০ জনের বেশি মুসল্লিকে অপহরণ করেছে।


স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম আলতাইন এএফপি’কে বলেন, ‘ইমাম খুৎবা দেয়ার সময় বন্দুকধারীরা ওই মসজিদে হামলা চালায় এবং তারা গুলি করে পাঁচ মুসল্লিকে হত্যা করার পর ইমামসহ ৩০ জনের বেশি লোককে অপহরণ করে।’


উল্লেখ্য, নাইজেরিয়ার উত্তরপশ্চিমাঞ্চল হচ্ছে বিভিন্ন অপরাধী চক্রের একটি ঘাঁটি। সেখানে অপরাধীরা গ্রামবাসীর গবাদি পশু চুরি করে, তাদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে এবং মালামাল লুট করে ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাসস


মন্তব্যসমূহ