জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

উল্কাপিণ্ডের একটি খণ্ড পেয়ে কোটিপতি হলেন যুবক

 




মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা গত আগস্টের শেষের দিকে বলেছিল একটি উল্কাপিণ্ড পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে কোটিপতি করে তুলতে পারে। কেননা এই গ্রহাণু পুরোটাই লোহা, নিকেল এবং সিলিকা দিয়ে তৈরি যা অতি মূল্যবান। বাস্তবে এই উল্কাপিণ্ডের একটি খণ্ড পেয়ে ১০ কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন ইন্দোনেশিয়ার এক যুবক।


ইন্দোনেশিয়ার উত্তরাঞ্চলের সুমাত্রা প্রদেশে নিজের বাড়িতে কফিন বানানোর কাজ করছিলেন ৩৩ বছর বয়সী জসুয়া হুতাগালুং। ওই সময় আকাশ থেকে একটি উল্কাপিণ্ড পড়ে তার বাড়ির চালে। উল্কার আঘাতে টিনের চালের ওই অংশ ভেঙে যায়।


উল্কাপিণ্ডটি তীব্র গতিতে তার ছাদে পড়ে। এরপর ছাদ ফুটে করে নিচে নেমে আসে এবং তার ঘরের মেঝের মধ্যে প্রায় ১৫ সেমি ঢুকে যায়। এমন ঘটনায় প্রথমে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন জোসুয়া।


তবে উল্কা পড়ে প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পরে তিনি কোটিপতি হয়েছেন সেই উল্কার বদৌলতে। দরিদ্র থেকে তিনি এখন ১০ কোটির মালিক হয়ে গেছেন।


ধারণা করা হচ্ছে, আকাশ থেকে পড়া উল্কার টুকরোটি প্রায় চার বিলিয়ন বছর আগের। খুবই বিরল প্রজাতির উল্কাটির বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। যার প্রতি গ্রামের দাম ধরা হয়েছে আটশ’ ৫৭ ডলার।


ইতিমধ্যে উল্কাপিণ্ডটি বিক্রি করে জোসুয়া হাতে পেয়েছেন ১০ কোটি টাকা।


জসুয়া হুতাগালুং বলেছেন, টিনের চালের যখন এটি পড়ে তখন ব্যাপক গরম ছিল। পরে অবশ্য ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। 

সূত্র : প্লেজ টাইমস

মন্তব্যসমূহ