জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

করোনা মহামারীর মধ্যেও রেকর্ডসংখ্যক ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ধ্বংস করেছে ইসরাইল

 




প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যেও চলতি ২০২০ সালে ইহুদিবাদী ইসরাইল রেকর্ডসংখ্যক ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ধ্বংস করেছে। ইসরাইলের এই বর্বরতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ফিলিস্তিনিদের জনজীবন।


ইসরাইলের অবৈধ বসতি স্থাপন বিস্তার বিরোধী এনজিও আরআই আমিম এক রিপোর্টে বলেছে, ২০১৯ সালে ইসরাইলি বাহিনী পূর্ব জেরুজালেম আল-কুদস শহরে যে পরিমাণে ঘরবাড়ি ধ্বংস করেছিল চলতি ২০২০ সালে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।


চলতি বছরে ইহুদিবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের অন্তত ১২৫টি ঘর-বাড়ি ধ্বংস করেছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১০৪ এবং ২০১৮ সালে ফিলিস্তিনিদের ৭২টি ঘরবাড়ি ধ্বংস করে ইসরাইল।


 আমিম এনজিও বলেছে, “চলতি সপ্তাহে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম শহরে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ধ্বংস  করেছে। এই নিয়ে এ বছর মোট ১২৫টি ঘরবাড়ি ধ্বংস করল ইসরাইল কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের আরো দুই মাস বাকি। ফলে ২০২০ সাল হতে যাচ্ছে ঘরবাড়ি ধ্বংসের সবচেয়ে খারাপ বছর। ২০১৬ সালে ইসরাইল সর্বোচ্চ ১২৩টি বাড়ি ভেঙে দিয়েছিল।”


পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ