নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

করোনা মহামারীর মধ্যেও রেকর্ডসংখ্যক ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ধ্বংস করেছে ইসরাইল

 




প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যেও চলতি ২০২০ সালে ইহুদিবাদী ইসরাইল রেকর্ডসংখ্যক ফিলিস্তিনি ঘরবাড়ি ধ্বংস করেছে। ইসরাইলের এই বর্বরতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ফিলিস্তিনিদের জনজীবন।


ইসরাইলের অবৈধ বসতি স্থাপন বিস্তার বিরোধী এনজিও আরআই আমিম এক রিপোর্টে বলেছে, ২০১৯ সালে ইসরাইলি বাহিনী পূর্ব জেরুজালেম আল-কুদস শহরে যে পরিমাণে ঘরবাড়ি ধ্বংস করেছিল চলতি ২০২০ সালে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।


চলতি বছরে ইহুদিবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের অন্তত ১২৫টি ঘর-বাড়ি ধ্বংস করেছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১০৪ এবং ২০১৮ সালে ফিলিস্তিনিদের ৭২টি ঘরবাড়ি ধ্বংস করে ইসরাইল।


 আমিম এনজিও বলেছে, “চলতি সপ্তাহে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম শহরে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ধ্বংস  করেছে। এই নিয়ে এ বছর মোট ১২৫টি ঘরবাড়ি ধ্বংস করল ইসরাইল কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরের আরো দুই মাস বাকি। ফলে ২০২০ সাল হতে যাচ্ছে ঘরবাড়ি ধ্বংসের সবচেয়ে খারাপ বছর। ২০১৬ সালে ইসরাইল সর্বোচ্চ ১২৩টি বাড়ি ভেঙে দিয়েছিল।”


পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ