জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনে প্রধান আসামি বাদল-দেলোয়ার গ্রেফতার

 




নোয়াখালীতে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের মামলার প্রধান আসামি বাদল নারায়ণগঞ্জ থেকে এবং দেলোয়ারকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। সোমবার (০৫ অক্টোবর) সকালে তারা গ্রেফতার করা হয়।


এর আগে, রোববার এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নয় জনকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। নিষ্ঠুর ও বর্বর এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন সবাই।


স্বজনদের অভিযোগ, স্বামীর সঙ্গে ছড়াছড়ি হওয়ার পর থেকে নোয়াখালীতে ওই নারী তার বাবার বাড়ি চলে আসেন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করে আসছিল স্থানীয় রহিম, বাদল, কালাম ও তাদের সহযোগীরা।


গত ২ সেপ্টেম্বর তার সাবেক স্বামী গৃহবধূর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। এসময় অপরিচিত লোক দাবি করে তাকে বেঁধে ফেলে স্থানীয় ঐ বখাটেরা। পরে ঘরের ভেতর ঢুকে ওই গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে চালায় অমানুষিক নির্যাতন। সেই ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেয়া হয় সামাজিক মাধ্যমে।


দোষীরা প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনার পর এক মাস পার হলেও ভয়ে মুখ খোলেনি কেউ। কিন্তু সম্প্রতি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।


একলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ আলম ভুঁইয়া বলেন, এ জঘন্য ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা হোক।


নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে এবং নির্যাতিতা পরিবারকে আইনি সহযোগিতা দিতে জেলা পুলিশের ৫টি ইউনিট মাঠে কাজ করছে।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ভাইরালের পর শুরু হয় তীব্র প্রতিবাদ। বর্বর এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন সবাই।


মন্তব্যসমূহ