জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

কুমিরের পেট কেটে বের করা হল কিশোরের দেহাবশেষ

 



মালয়েশিয়ার কুচিংয়ে নদীর তীরে রিকি গানিয়া নামক ১৪ বছরের এক কিশোরকে একটি কুমির জীবিত খেয়ে ফেলার তিন দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার কুমিরের পেটের ভেতর থেকে টেনে বের করা হয় সেই কিশোরের দেহাবশেষ।

দ্য সান’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩১ জুলাই মালয়েশিয়ার কুচিংয়ে নদীর তীরে শামুক সংগ্রহ করতে গিয়েছিল রিকি গানিয়া নামক এক কিশোর। সেখানেই কুমিরের আক্রমণের শিকার হন তিনি। পরে কুমিরটি ছেলেটির পায়ের গোড়ালিতে চেপে ধরে পানির গভীরে চলে যায়।

এই ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী ছেলেটির খালা সাহায্যের জন্য ডাকার পর জরুরি সার্ভিস আসে। পরে তারা ১৪ ফুটের কুমিরটিকে ধরার জন্য একটি মুরগি টোপ হিসেবে ব্যবহার করে। তবে কিশোরের দেহটি পুনরুদ্ধার করে উপকূলে আনতে অনেক সময় লেগেছে।

প্রতিবেদনটিতে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, স্থানীয়রা কুমিরের পেট কেটে তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সরিয়ে দেয়। কুমিরটির পেটটি তখন কেটে ফেলা হয়। সেখানে রিকি’র পরিহিত পোশাকগুলোর পাশাপাশি তার দেহের অঙ্গগুলোও পাওয়া গেছে।

সারাওয়াক ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ অপারেশনস সেন্টারের একজন কর্মকর্তা বলেন, সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ছেলেটিকে যেখানে শেষবার দেখা গিয়েছিলো তার তিন মাইল দূরে কুমিরটিকে একটি মুরগির বাচ্চা টোপ হিসেবে দেয়া হয়। কুমিরটিকে তীরে এনে তার পেট পরীক্ষা করার পর সেই নিখোঁজ কিশোরের খোঁজ পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, গত জুনে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর কালিমান্টনে একটি নদীতে মাছ ধরার সময় একটি কুমির ৪৫ বছর বয়সী এক মহিলার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো।

মন্তব্যসমূহ