তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

২১ বছরেই লাম্পট্যের চরম নিদর্শন (ভিডিও)

 



বয়স্ক একজন নারীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে তার ভবনের দরজার কাছে চলে যান ২১ বছর বয়সী যুবক। কথোপকথনের এক পর্যায়ে তার কাছ থেকে সিগারেট চান। ওই নারী তাকে সিগারেটও দেন। ভিডিওতে দেখা যায়, একপর্যায়ে নারীকে জোরপূর্বক কাঁধে তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছেন সেই যুবক।


দু'জন নারীকে ধর্ষণ ও একজনকে হত্যাচেষ্টার দায়ে ২১ বছর বয়সী যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অবশ্য রায় ঘোষণার আগে নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাজ্যের হ্যারো এলাকায়।


ধর্ষক অ্যারোন মার্ফির বিরুদ্ধে দু'জনকে ধর্ষণ ও একজনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে।  সে কারণে বিচারক তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।


জানা গেছে, ৪৯ বছর বয়সী এক নারীকে আচমকা স্পর্শ করেন; এরপর জড়িয়ে ধরেন তিনি। এর আগে ৫১ বছর বয়সী এক নারীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় তিনি জামিনে মুক্ত ছিলেন।


মাত্র ১৪ বছর বয়সে স্কুলে পড়া অবস্থায়ও এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে ওই যুবকের বিরুদ্ধে। পুলিশ বলছে, হ্যারো এলাকায় এক নারীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার দায়ে ওই যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।


গত শুক্রবার বিকেলেই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গত মে মাসে সর্বশেষ অপরাধ করার পর তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। সন্দেহাতীতভাবে তার বিরুদ্ধে দু'জন নারীকে ধর্ষণ ও একজনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে। তার মধ্যে একজন নারীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার ভিডিও রয়েছে।


ঘটনার দিন এক নারী পুলিশকে ফোন করে জানান, ২১ বছর বয়সী এক যুবক তাকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা করেছে। বর্তমানে আহত অবস্থায় তিনি বাসায় আছেন। এরপর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্স তুলে দিয়ে হাসপাতালে পাঠায়।


পরদিনই পুলিশ মার্ফিকে আটক করে। মার্ফি ছিলেন ওই নারীরই প্রতিবেশী। ২২ মে তার বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। এরপর তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ জানতে পারেন তদন্তকারীরা।


গুরুতর যৌন নিপীড়কের তালিকায় নাম উঠেছে মার্ফির। এদিকে আহত নারী এখনো সুস্থ হননি। তার চিকিৎসা অব্যাহত আছে।


সূত্র : ডেইলি মেইল

মন্তব্যসমূহ