প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

হাঙরের মুখ থেকে শিশুকে বাঁচালেন পুলিশ কর্মকর্তা (ভিডিও)



হাঙরের পেটেই চলে যেতে বসেছিল শিশুটি। কিন্তু অফ ডিউটিতে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তার তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল সে। গত ১৬ জুলাই স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কোকো বিচে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনার একটি ভিডিও ‘কোকো বিচ পুলিশ অ্যান্ড ফায়ার’ এর ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এছাড়া কীভাবে শিশুটি প্রাণে রক্ষা পায় তার বর্ণনাও দেয়া হয়েছে কোকো বিচ পুলিশের ওই পোস্টে।

কোকো বিচ পুলিশ কর্মকর্তা অ্যাড্রিয়ান কোসিকি ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় স্ত্রীর সঙ্গে পিরের কাছে সৈকতে হাঁটছিলেন। ওই সময় তারা দেখেন যে, একটি হাঙর ছোট্ট একটি ছেলের দিকে এগিয়ে আসছে। সার্ফিং বোর্ড নিয়ে ওই শিশুটি সাঁতার কাটছিল। অ্যাড্রিয়ান দ্রুত পানিতে নেমে হাঙরের খুব কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সমুদ্রের পানিতে একের পর এক ছোট ছোট ঢেউ এগিয়ে আসছে। আর সেই পানিতে ক্যামেরা যেন বিশেষ কিছু একটাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করছে। একটু পরই অবশ্য পরিষ্কার হয়ে যায়, সেটি একটি হাঙর। যার পিঠের ও লেজের পাখনার খানিকটা পানির ওপর দেখা যাচ্ছে।

অল্প পানিতেই ঘুরে বেড়াচ্ছিল হাঙরটি। আর তার কাছেই সার্ফিং বোর্ড নিয়ে সাঁতার কাটছিল একটি শিশু। যিনি ক্যামেরায় হাঙরটির গতিবিধি রেকর্ড করছিলেন তিনি ছাড়াও অন্তত আরও একজন ছিলেন সেখানে। তিনি পুলিশ কর্মকর্তা অ্যাড্রিয়ান কোসিকি। যিনি হাঙরটির উপস্থিতি বুঝতে পেরেই ওই বাচ্চাটিকে টেনে সরিয়ে আনেন। হাঙরটি তার দিকেই এগোচ্ছিল।

সময় মতো পুলিশ কর্মকর্তা ওই বাচ্চাটিকে পানি থেকে সরিয়ে না নিয়ে এলে হাঙরের আক্রমণে তার প্রাণ পর্যন্ত যেতে পারত। অফ ডিউটিতে থাকা ওই পুলিশ কর্মকর্তার সবাই প্রশংসা করেছেন। তিনি না থাকলে ওই শিশুটির কী হত তা নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা।

মন্তব্যসমূহ