তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

হাঙরের মুখ থেকে শিশুকে বাঁচালেন পুলিশ কর্মকর্তা (ভিডিও)



হাঙরের পেটেই চলে যেতে বসেছিল শিশুটি। কিন্তু অফ ডিউটিতে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তার তৎপরতায় প্রাণে রক্ষা পেল সে। গত ১৬ জুলাই স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কোকো বিচে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ঘটনার একটি ভিডিও ‘কোকো বিচ পুলিশ অ্যান্ড ফায়ার’ এর ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এছাড়া কীভাবে শিশুটি প্রাণে রক্ষা পায় তার বর্ণনাও দেয়া হয়েছে কোকো বিচ পুলিশের ওই পোস্টে।

কোকো বিচ পুলিশ কর্মকর্তা অ্যাড্রিয়ান কোসিকি ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় স্ত্রীর সঙ্গে পিরের কাছে সৈকতে হাঁটছিলেন। ওই সময় তারা দেখেন যে, একটি হাঙর ছোট্ট একটি ছেলের দিকে এগিয়ে আসছে। সার্ফিং বোর্ড নিয়ে ওই শিশুটি সাঁতার কাটছিল। অ্যাড্রিয়ান দ্রুত পানিতে নেমে হাঙরের খুব কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সমুদ্রের পানিতে একের পর এক ছোট ছোট ঢেউ এগিয়ে আসছে। আর সেই পানিতে ক্যামেরা যেন বিশেষ কিছু একটাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করছে। একটু পরই অবশ্য পরিষ্কার হয়ে যায়, সেটি একটি হাঙর। যার পিঠের ও লেজের পাখনার খানিকটা পানির ওপর দেখা যাচ্ছে।

অল্প পানিতেই ঘুরে বেড়াচ্ছিল হাঙরটি। আর তার কাছেই সার্ফিং বোর্ড নিয়ে সাঁতার কাটছিল একটি শিশু। যিনি ক্যামেরায় হাঙরটির গতিবিধি রেকর্ড করছিলেন তিনি ছাড়াও অন্তত আরও একজন ছিলেন সেখানে। তিনি পুলিশ কর্মকর্তা অ্যাড্রিয়ান কোসিকি। যিনি হাঙরটির উপস্থিতি বুঝতে পেরেই ওই বাচ্চাটিকে টেনে সরিয়ে আনেন। হাঙরটি তার দিকেই এগোচ্ছিল।

সময় মতো পুলিশ কর্মকর্তা ওই বাচ্চাটিকে পানি থেকে সরিয়ে না নিয়ে এলে হাঙরের আক্রমণে তার প্রাণ পর্যন্ত যেতে পারত। অফ ডিউটিতে থাকা ওই পুলিশ কর্মকর্তার সবাই প্রশংসা করেছেন। তিনি না থাকলে ওই শিশুটির কী হত তা নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা।

মন্তব্যসমূহ