জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

স্পেনে লাশের স্তূপ, একদিনেই মৃত ৯১৩




স্পেনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেল একদিনে নতুন করে মারা গেছেন ৯১৩ জন। মৃতের সংখ্যা বাড়লেও গেল এক সপ্তাহে নতুন আক্রান্তের হার কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সোমবার (৩০ মার্চ) দেশটিতে এক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে কম মানুষের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। তবে সংক্রমণের হার শূন্যে নামিয়ে আনতে হলে কেবল লকডাউন নয়, পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঠেলে সাজানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংস্থাটি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্পেনে প্রতিদিনই যেন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এত খারাপের মাঝেও সরকার প্রদত্ত একটি তথ্যে কিছুটা হলেও আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন দেশটির সাধারণ মানুষ। গেল এক সপ্তাহের মধ্যে সোমবার করোনায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে কম।


স্পেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালভাদোর ইলা বলেন, আমি সবাইকে বলতে চাই, এক সপ্তাহ আগেও প্রতিদিনই আমাদের করোনায় আক্রান্তের হার বাড়ছিল। কিন্তু গেল বৃহস্পতিবার থেকে এ হার কিছুটা হলেও কমতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহ আগেও যেখানে নতুন করে আক্রান্তের হার ২০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল, সেটা এখন ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে এটিকে শূন্যে নামিয়ে আনতে হলে আমাদের এখনও আরও অনেক কিছু করতে হবে।

এ অবস্থায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও মনে করছে, দেশটিতে কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে করোনা পরিস্থিতি।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি স্বাস্থ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইকেল রায়ান বলেন, দেখুন এটা ঠিক স্পেন এবং ইতালিতে নতুন করে আক্রান্তের হার কমতে শুরু করেছে। এটা অবশ্যই ১৪ দিনের লকডাউনের কারণে। তবে কেবল লকডাউন করে এ হার শূন্যে নামানো যাবে না, ভাইরাসটিকে পুরোপুরি নির্মূল করতে চাইলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে।

এর মধ্যেই করোনার প্রকোপ ঠেকাতে নানা পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে স্পেনকে। দেশটির হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর চেয়ে শয্যা সংখ্যা কম থাকায়, বিভিন্ন শহরের পাঁচ তারকা হোটেলগুলোকে রূপান্তরিত করা হয়েছে অস্থায়ী হাসপাতালে। ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানী মাদ্রিদের রাস্তায় জনকামান দিয়ে জীবাণুনাশক মিশ্রিত পানি ছিটাতে দেখা গেছে কর্তৃপক্ষকে।

এদিকে করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ চীন থেকে স্পেনে আসতে শুরু করেছে। সোমবার বিশেষ বিমানে করে করোনার টেস্ট কিট, মাস্ক, পিপিইসহ অন্যান্য সামগ্রী রাজধানী মাদ্রিদে পৌঁছায়।

মন্তব্যসমূহ