নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

স্পেনে লাশের স্তূপ, একদিনেই মৃত ৯১৩




স্পেনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেল একদিনে নতুন করে মারা গেছেন ৯১৩ জন। মৃতের সংখ্যা বাড়লেও গেল এক সপ্তাহে নতুন আক্রান্তের হার কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সোমবার (৩০ মার্চ) দেশটিতে এক সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে কম মানুষের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। তবে সংক্রমণের হার শূন্যে নামিয়ে আনতে হলে কেবল লকডাউন নয়, পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ঠেলে সাজানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংস্থাটি।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্পেনে প্রতিদিনই যেন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এত খারাপের মাঝেও সরকার প্রদত্ত একটি তথ্যে কিছুটা হলেও আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন দেশটির সাধারণ মানুষ। গেল এক সপ্তাহের মধ্যে সোমবার করোনায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে কম।


স্পেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালভাদোর ইলা বলেন, আমি সবাইকে বলতে চাই, এক সপ্তাহ আগেও প্রতিদিনই আমাদের করোনায় আক্রান্তের হার বাড়ছিল। কিন্তু গেল বৃহস্পতিবার থেকে এ হার কিছুটা হলেও কমতে শুরু করেছে। এক সপ্তাহ আগেও যেখানে নতুন করে আক্রান্তের হার ২০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল, সেটা এখন ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে এটিকে শূন্যে নামিয়ে আনতে হলে আমাদের এখনও আরও অনেক কিছু করতে হবে।

এ অবস্থায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও মনে করছে, দেশটিতে কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসতে শুরু করেছে করোনা পরিস্থিতি।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি স্বাস্থ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইকেল রায়ান বলেন, দেখুন এটা ঠিক স্পেন এবং ইতালিতে নতুন করে আক্রান্তের হার কমতে শুরু করেছে। এটা অবশ্যই ১৪ দিনের লকডাউনের কারণে। তবে কেবল লকডাউন করে এ হার শূন্যে নামানো যাবে না, ভাইরাসটিকে পুরোপুরি নির্মূল করতে চাইলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে।

এর মধ্যেই করোনার প্রকোপ ঠেকাতে নানা পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে স্পেনকে। দেশটির হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর চেয়ে শয্যা সংখ্যা কম থাকায়, বিভিন্ন শহরের পাঁচ তারকা হোটেলগুলোকে রূপান্তরিত করা হয়েছে অস্থায়ী হাসপাতালে। ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানী মাদ্রিদের রাস্তায় জনকামান দিয়ে জীবাণুনাশক মিশ্রিত পানি ছিটাতে দেখা গেছে কর্তৃপক্ষকে।

এদিকে করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ চীন থেকে স্পেনে আসতে শুরু করেছে। সোমবার বিশেষ বিমানে করে করোনার টেস্ট কিট, মাস্ক, পিপিইসহ অন্যান্য সামগ্রী রাজধানী মাদ্রিদে পৌঁছায়।

মন্তব্যসমূহ