জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

স্পেনে করোনাভাইরাসে একদিনে আক্রান্ত দেড় হাজার মানুষ!




স্পেনের জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা একদিনে ১৫০০ জন বেড়েছে। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫,৭০০ জনে।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকিতে ইতালির পরে ইউরোপের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ স্পেন। ইতালিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার জনের বেশি।

স্পেনের সাম্প্রতিক ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা জন্য দেশটির সরকার একটি বৈঠক শুরু করার আগেই এই খবর এলো।

শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লুএইচও) জানিয়েছে যে ইউরোপ এখন মহামারির কেন্দ্রস্থলে রূপ নিয়েছে।

সংস্থাটির মহাপরিচালক ডা. টেড্রোস ঘেব্রেয়েসাস বিভিন্ন দেশকে আহ্বান জানাচ্ছেন, তারা যেন জীবন বাঁচাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। যেমন, সম্প্রদায়ের মধ্যে সংহতি আনা এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা।

বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ সাম্প্রতিক দিনগুলিতে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

স্পেনের পরিস্থিতি কী?
শনিবারের মধ্যে স্পেনে ১৩৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার সাতশো তিপ্পান্ন জনে। শুক্রবার রাতেও এই সংখ্যা ছিল ৪,২৩১ জন।

প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ শিগগিরই সংকট মোকাবেলায় জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নেয়ার কথা জানিয়েছেন।

১৯৭৫ সালে গণতন্ত্রের উত্তরণ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটিতে এই দ্বিতীয়বার জরুরি অবস্থা জারি হতে যাচ্ছে।

প্রথম জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল ২০১০ সালে, যখন বিমান পরিবহন নিয়ন্ত্রণকারীরা ধর্মঘট করেছিল।

স্থানীয় ব্যবস্থা ইতিমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে। মাদ্রিদ এবং এর আশেপাশের অঞ্চলের কর্তৃপক্ষ বেশিরভাগ পানশালা, রেস্তোঁরা ও দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

শুধুমাত্র খাবারের দোকান, ফার্মেসি এবং পেট্রোল স্টেশনগুলো খোলা রাখতে দেয়া হয়েছে।

গ্যালিসিয়া এবং কাতালোনিয়াসহ অন্যান্য অঞ্চলে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

সেভিল শহরের মেয়র জানিয়েছেন, যে তিনি দক্ষিণের বিখ্যাত ইস্টার মিছিলের আয়োজন স্থগিত করেছেন।

কাতালান আঞ্চলিক নেতা কুইম টোরা বলেছেন যে তিনি পুরো অঞ্চলটি ঘেরাও করে ফেলতে চান, এবং তিনি মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষকে বিমান, রেল ও সমুদ্রপথে প্রবেশ বন্ধ করতে বলেছেন।

বিভিন্ন এয়ারলাইন্সও স্পেনের ফ্লাইট বন্ধ করে দিচ্ছে।

শনিবার জেট-টু নামের এয়ারলাইন্স সব ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিলে, আকাশের মাঝপথে থাকা অবস্থায় বিমান ফিরিয়ে আনা হয়। সূত্র: বিবিসি

মন্তব্যসমূহ