জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে ইতালি ভ্রমণ, করোনায় আক্রান্ত যুবক



প্রেম মানে না কোন নিয়ম। মানে কোন রীতি-নীতি। আর সেই প্রেমের ফাঁদে পা দিয়েই করুন পরিণতি হলো এক যুবকের। স্ত্রীর কাছে গোপন করে প্রেমিকার সঙ্গে ইতালি ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনি। আর সেখানেই তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন।

বছর তিরিশের ব্রিটেনের ওই যুবক আপাতত কোয়ারেন্টাইনে। স্ত্রী বুঝতেই পারছেন না, কীভাবে স্বামীর দেহে সংক্রমিত হলো এই রোগের জীবাণু। কারণ স্ত্রীকে তিনি জানিয়েছিলেন, ব্যবসার কাজে ব্রিটেনেরই অন্য এক জায়গায় যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু শরীরে কোভিড-১৯ এর উপসর্গ দেখামাত্র ভয় পেয়ে যান ওই যুবক।

দেরি না করে ইংল্যান্ডের জনস্বাস্থ্য সংযোগকারীকে গোটা ঘটনা খুলে বলেন তিনি। জানান, যে করোনার আতঙ্কের মধ্যেই ইতালি উড়ে গিয়েছিলেন তিনি। আরও জানান, প্রেমিকাকে সঙ্গে নিয়েই সেখানে ছিলেন। আর সেখান থেকেই এই মারণঘাতি ভাইরাস ছড়িয়েছে তার শরীরে। তাকে পরীক্ষা করে করোনা পজিটিভ বলেই জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই ব্যক্তির স্ত্রীকে আপাতত বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হয়েছে। যিনি এখনও জানেন, বিজনেস ট্রিপে গিয়েই স্বামী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তিনি সংক্রমণমুক্ত হয়ে যাবেন বলেই আশা। কিন্তু করোনার আতঙ্কের মধ্যেও তিনি বেশি চিন্তিত পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে। গোটা ঘটনা স্ত্রী জানতে পারলে, পানি কোন দিকে গড়াবে, তা আন্দাজ করেই প্রতিনিয়ত ভয় পাচ্ছেন তিনি।

চীন থেকেই প্রায় গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারণঘাতি ভাইরাস। কিন্তু সম্প্রতি চীনের চেয়েও খারাপ অবস্থা ইউরোপের। বিপর্যস্ত ইতালি।

গত ১২ মার্চ থেকে গোটা ইতালি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ওই ব্যক্তি ইতালি যাওয়ায় তার দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। তবে তার প্রেমিকাও করোনায় আক্রান্ত কি না, তা জানা যায়নি। কারণ ওই ব্যক্তি কোনওভাবেই তার প্রেমিকার নাম প্রকাশ করতে রাজি নন।-সংবাদ প্রতিদিন

মন্তব্যসমূহ