জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

ইতালিতে ট্রাকে ভরে লাশ নিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী!



সারিবদ্ধভাবে পড়ে আছে বহু লাশ। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সেখানে আনা হচ্ছে আরও লাশ। এসব লাশ ভস্মীভূত ও দাফন সম্পন্ন করতেই হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাশগুলো ট্রাকে ভরে আনছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এমনই পরিস্থিতি বিরাজ করছে ইতালিতে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে এ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ইতালি। চীনে প্রথম এই ভাইরাস ধরা পড়লেও তারা করোনার চিকিৎসার জন্য স্থাপিত সর্বশেষ হাসপাতালটিও বন্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু ভাইরাসটি এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে গোটা বিশ্বে।

বর্তমানে ইতালি, স্পেন ও ইরানে চলছে ভয়াবহ পরিস্থিতি। এদিকে ভারতও ভয়ঙ্কর ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন গবেষণা সংস্থা। ভারতের ৩০ কোটি মানুষ আক্রান্ত হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

ইতালির পরিস্থিতি তুলে ধরে গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, দেশটিতে শুক্রবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ হাজার ৩৫ জন।মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৪০৫ জন। সুস্থ হয়েছেন মাত্র ৪৪৪০ জন। লম্বারডি অঞ্চলের বেরগামোতে মারা গেছে এক হাজার ৯৫৯ জন। তবে এই প্রদেশে মৃত্যুর সঠিক তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়।

বুধবার ইতালিতে পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটে। এদিন রাতে বেরগামোর সমাধিক্ষেত্র থেকে ৬৫টি কফিন মোডেনা ও বোলোগনাতে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। দাফনের জন্য কফিনগুলো এক অঞ্চল থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আরেক অঞ্চলে। প্রতিদিন ট্রাক ট্রাক লাশ সরাতে হচ্ছে।

মন্তব্যসমূহ