আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

ইতালিতে ট্রাকে ভরে লাশ নিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী!



সারিবদ্ধভাবে পড়ে আছে বহু লাশ। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সেখানে আনা হচ্ছে আরও লাশ। এসব লাশ ভস্মীভূত ও দাফন সম্পন্ন করতেই হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাশগুলো ট্রাকে ভরে আনছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এমনই পরিস্থিতি বিরাজ করছে ইতালিতে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে এ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ইতালি। চীনে প্রথম এই ভাইরাস ধরা পড়লেও তারা করোনার চিকিৎসার জন্য স্থাপিত সর্বশেষ হাসপাতালটিও বন্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু ভাইরাসটি এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে গোটা বিশ্বে।

বর্তমানে ইতালি, স্পেন ও ইরানে চলছে ভয়াবহ পরিস্থিতি। এদিকে ভারতও ভয়ঙ্কর ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন গবেষণা সংস্থা। ভারতের ৩০ কোটি মানুষ আক্রান্ত হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

ইতালির পরিস্থিতি তুলে ধরে গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, দেশটিতে শুক্রবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ হাজার ৩৫ জন।মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৪০৫ জন। সুস্থ হয়েছেন মাত্র ৪৪৪০ জন। লম্বারডি অঞ্চলের বেরগামোতে মারা গেছে এক হাজার ৯৫৯ জন। তবে এই প্রদেশে মৃত্যুর সঠিক তথ্য এখনো নিশ্চিত নয়।

বুধবার ইতালিতে পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটে। এদিন রাতে বেরগামোর সমাধিক্ষেত্র থেকে ৬৫টি কফিন মোডেনা ও বোলোগনাতে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। দাফনের জন্য কফিনগুলো এক অঞ্চল থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আরেক অঞ্চলে। প্রতিদিন ট্রাক ট্রাক লাশ সরাতে হচ্ছে।

মন্তব্যসমূহ