মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

  ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনতার যুদ্ধ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ এবং মানুষের ভোটাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, বরং জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করে গণতন্ত্রকে পদদলিত করার ফলেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।  তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছিলেন, তারা অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে চাননি। এ কারণে স্বাধীনতা যুদ্ধের অসংখ্য ঘটনা, ত্যাগ ও বীরত্বগাঁথা এখনও যথাযথভাবে ইতিহাসে স্থান পায়নি, সেগুলো এখনও সাধারণ মানুষের কাছে অজানা রয়ে গেছে এবং সেই ইতিহাসকে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে ও জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। আজ শুক্রবার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস-এর ৫৪তম কমিশনিং ও ফেলোশিপ ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার পর এমন ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে যে, কেবল কয়েকটি ভাষণের মাধ্যমেই দ...

দুই স্কুলছাত্রকে বলাৎকার করলেন আ. লীগ নেতা



দুই স্কুলছাত্রকে অচেতন করে বলাৎকার করার অভিযোগে এক আওয়ামী লীগ নেতা ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন আওয়ামী লীগ নেতা শেখ শহিদুল ইসলাম (৪৮) ও তার দোকানের কর্মচারী মোহাম্মদ নওশাদ (২২)।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।  শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে তাদের বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন এক ছাত্রের মা।

গ্রেফতার শেখ শহিদুল ইসলাম লালা কুতুবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি উপজেলার আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের ফতেহ আলী সিকদার পাড়া গ্রামের মৃত আবদু শুক্কুরের ছেলে। গ্রেফতার নওশাদ উপজেলার কৈয়ারবিল গ্রামের আবদুল মাবুদের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী এক ছাত্রকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সুস্থ রয়েছে ওই ছাত্র। আরেকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের সামনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুলের দোকান রয়েছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় দশম শ্রেণির দুই ছাত্রকে দোকানে নিয়ে যান শহিদুল। সেখানে তাদের অচেতন করে বলাৎকার করেন শহিদুল ও দোকানের কর্মচারী নওশাদ। সেখান থেকে রাতে কৌশলে এক ছাত্র পালিয়ে যায়।

আরেক ছাত্রকে দোকানের ভেতরে আটকে রেখে চলে যান তারা। পালিয়ে আসা ছাত্রটি তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ঘটনাটি জানায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে দোকানের তালা ভেঙে অপর ছাত্রকে উদ্ধার করে তারা। পরে তাকে কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রাতেই পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা মিলে উপজেলা গেটে এসে আসামি শহিদুলকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

কুতুবদিয়া থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ দিদারুল ফেরদাউস বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে শহিদুল ও নওশাদকে উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও শিশু বলাৎকারের অভিযোগে মামলা হয়েছে। শুক্রবার আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

ওসি আরও বলেন, দুই ছাত্রের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শনিবার সকালে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। রোববার আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেবে তারা।


সময় টিভি অনলাইন


মন্তব্যসমূহ