জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

যে শর্তে মেয়ের ফোন নাম্বার দিতে রাজি হলেন মীর!



১৩ জানুয়ারি মেয়ে মুসকানকে নিয়ে ক্যাফেতে কফি পান করছেন এমন একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পর সেখানে মন্তব্যের ঘরে মুসকানের মুঠোফোন নাম্বার চেয়ে বসেন সায়াক গাঙ্গুলী নামে এক ব্যক্তি।

অন্য তারকাদের মতো চটে না গিয়ে বেশ রসিকভাবেই তার জবাব দেন কলকাতার জনপ্রিয় রেডিওজকি ও ‘মীরাক্কেল’খ্যাত তারকা মীর আফসার আলী।

ছবির মন্তব্যের ঘরে ঐ ব্যক্তি মন্তব্য করেন ‘স্যার আপনার মেয়ের নম্বর টা দেবেন ? এট্টু কথা বলবো….🙂’ তার উত্তরে মীরও নম্বর দেয়ার জন্য জুড়ে দেন বিশাল এক শর্ত।

ঐ মন্তব্যের প্রতিত্তুরে মীর লিখেন ‘ অবশ্যই… 😍
তার আগে নিচের তথ্যগুলো দিতে হবে 👇
১. জন্ম সনদ
২. প্যান কার্ড
৩. আধার কার্ড/ভোটার আইডি
৪. রেশন কার্ড
৫. এ৪ সাইজের কাগজে বাম হাতের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ
৬. এ৩ সাইজের কাগজে ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ
৭. সর্বশেষ বাসস্থানের প্রমাণপত্র সহ ঐ স্থানের সর্বশেষ জমা দেয়া বিদ্যুত বিলের কপি
৮. বিগত ৩ বছরের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য
৯. পাসপোর্টের সামনের ও পিছনের পাতার স্ক্যান কপি
১০. বিগত ৩ বছরের আয়কর রিটার্ণ তথ্য
ব্যস। এই কটা ডকুমেন্ট পেলেই দিয়ে দেব।


এ বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলাকে মীর বলেন, ‘এটা তো মজা করেই লিখেছি। রাগ, ক্ষোভ দেখিয়ে কি লাভ! এমন কমেন্টে আমার মেয়ের তো কোনো ক্ষতি হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনটা হরহামেশাই হয়। তাই বলে মেজাজ হারিয়ে উত্তর দেয়া ঠিক নয়। তাই ঠান্ডা মস্তিষ্কে কমেন্ট করেছি।’

এরপর তিনি বলেন, ‘মেয়ে বড় হয়েছে। এরপর থেকে ছবি আপলোড করার সময় বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। আমি একজন বাবা। সব সময় সর্তক থাকতে হবে।’

মীরের এই মন্তব্যের প্রতিত্তুরে সায়ক আবার লিখেন, আচ্ছা দাদা আমি বিয়ে করবো না। খুশি তো🤗 প্রিয় মর্নিং সুইটহার্ট, খুব প্রিয় ব্যাক্তিত্ব দের মধ্যে তুমি একজন। তোমার কণ্ঠস্বর প্রিয় এক অন্য শান্তির জগতে নিয়ে যায় খুব কঠিন মুহূর্তেও।নিতান্তই কৌতুক এর ছলে কথাটা বলেছি কিছু মনে কোরো না প্রিয়। ভালো থেকো।

মন্তব্যসমূহ