জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

যে শর্তে মেয়ের ফোন নাম্বার দিতে রাজি হলেন মীর!



১৩ জানুয়ারি মেয়ে মুসকানকে নিয়ে ক্যাফেতে কফি পান করছেন এমন একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করার পর সেখানে মন্তব্যের ঘরে মুসকানের মুঠোফোন নাম্বার চেয়ে বসেন সায়াক গাঙ্গুলী নামে এক ব্যক্তি।

অন্য তারকাদের মতো চটে না গিয়ে বেশ রসিকভাবেই তার জবাব দেন কলকাতার জনপ্রিয় রেডিওজকি ও ‘মীরাক্কেল’খ্যাত তারকা মীর আফসার আলী।

ছবির মন্তব্যের ঘরে ঐ ব্যক্তি মন্তব্য করেন ‘স্যার আপনার মেয়ের নম্বর টা দেবেন ? এট্টু কথা বলবো….🙂’ তার উত্তরে মীরও নম্বর দেয়ার জন্য জুড়ে দেন বিশাল এক শর্ত।

ঐ মন্তব্যের প্রতিত্তুরে মীর লিখেন ‘ অবশ্যই… 😍
তার আগে নিচের তথ্যগুলো দিতে হবে 👇
১. জন্ম সনদ
২. প্যান কার্ড
৩. আধার কার্ড/ভোটার আইডি
৪. রেশন কার্ড
৫. এ৪ সাইজের কাগজে বাম হাতের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ
৬. এ৩ সাইজের কাগজে ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ
৭. সর্বশেষ বাসস্থানের প্রমাণপত্র সহ ঐ স্থানের সর্বশেষ জমা দেয়া বিদ্যুত বিলের কপি
৮. বিগত ৩ বছরের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য
৯. পাসপোর্টের সামনের ও পিছনের পাতার স্ক্যান কপি
১০. বিগত ৩ বছরের আয়কর রিটার্ণ তথ্য
ব্যস। এই কটা ডকুমেন্ট পেলেই দিয়ে দেব।


এ বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলাকে মীর বলেন, ‘এটা তো মজা করেই লিখেছি। রাগ, ক্ষোভ দেখিয়ে কি লাভ! এমন কমেন্টে আমার মেয়ের তো কোনো ক্ষতি হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনটা হরহামেশাই হয়। তাই বলে মেজাজ হারিয়ে উত্তর দেয়া ঠিক নয়। তাই ঠান্ডা মস্তিষ্কে কমেন্ট করেছি।’

এরপর তিনি বলেন, ‘মেয়ে বড় হয়েছে। এরপর থেকে ছবি আপলোড করার সময় বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। আমি একজন বাবা। সব সময় সর্তক থাকতে হবে।’

মীরের এই মন্তব্যের প্রতিত্তুরে সায়ক আবার লিখেন, আচ্ছা দাদা আমি বিয়ে করবো না। খুশি তো🤗 প্রিয় মর্নিং সুইটহার্ট, খুব প্রিয় ব্যাক্তিত্ব দের মধ্যে তুমি একজন। তোমার কণ্ঠস্বর প্রিয় এক অন্য শান্তির জগতে নিয়ে যায় খুব কঠিন মুহূর্তেও।নিতান্তই কৌতুক এর ছলে কথাটা বলেছি কিছু মনে কোরো না প্রিয়। ভালো থেকো।

মন্তব্যসমূহ