প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

৭০ বছর পর উপলব্ধি করলাম ভারতে মুসলিম হিসেবে থাকতে পারি না: অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ


বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ৭০ বছর পর আমি উপলব্ধি করলান ভারতে মুসলিম হিসেবে আমি থাকতে পারি না।

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে প্রথমবারের মতো নীরবকা ভেঙেছেন নাসিরুদ্দিন শাহ। গত বছরের ডিসেম্বরে ওই আইনটি পাশ হয়েছিল। এ বছরের ১০ জানুয়ারি তা কার্যকর করা হয়।

দ্য আয়ারকে বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ৭০ বছর পরেও তার প্রমাণ করা প্রয়োজন যে তিনি মুসলিম এবং ভারতীয় এবং তার প্রমাণকে অবহেলা করা যায় না।
নাসিরুদ্দিন শাহ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ৭০ বছর ধরে ভারতে থেকেও এবং এখানে কাজ করেও তার ভারতীয় হিসেবে প্রমাণ দেয়া হয়নি। তার আর কী করার আছে?

বলিউডের গুণী এই অভিনেতা আরও জানান, তিনি ও তার পরিবার ভাবেননি ভারতে এখন পর্যন্ত থাকাটা কঠিন হবে। কিন্তু এখন তাদের উপলব্ধি হয়েছে ভারতে তারা মুসলিম হিসেবে থাকতে পারেন না।

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে যাওয়া অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ নিয়েও সমালোচনা করেন নাসিরুদ্দিন শাহ। তিনি বলেন, আইনে কেন মিয়ানমার বা শ্রীলঙ্কার নাম রাখা হয়নি। 

মন্তব্যসমূহ