জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

পুরুষের অনুমতি ছাড়াই চাকরি করতে পারবেন সৌদি নারীরা

বেশ কিছু ক্ষেত্রে নারীদের ওপর নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। এখন থেকে সরকারি চাকরি, পড়ালেখা ও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে নারীদের পরিবারের পুরুষ অভিভাবকের অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ নতুন একটি ফরমান জারি করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, পড়ালেখা, স্বাস্থ্যসেবা ও সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে নারীদের আর পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নিতে হবে না।

সৌদি আরবের নারীদের ভ্রমণ, পড়ালেখা অথবা বিয়ের জন্য পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নিতে হতো। বাবা, স্বামী অথবা ছেলে এই অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

সৌদি আরবের নারী অধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এটা নারীর অধিকার নিশ্চিতের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা।

বিশ্বের অন্যতম এই রক্ষণশীল দেশটিতে নারীদের জীবনযাপন করতে হয় পুরুষ অভিভাবকের অধীনে। সেখানে নারীরা গাড়ি চালানোর অনুমতি পায় না। এ ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় পা থেকে মাথা পর্যন্ত কালো কাপড় পরতে হয় নারীদের।

জেদ্দাভিত্তিক ইসলামিক দেশগুলোর সংস্থা ওআইসির তথ্য ও যোগাযোগ পরিচালক মহা. অকিল আরব নিউজকে বলেন, ‘পুরুষ অভিভাবক ব্যবস্থা অ-ইসলামিক এবং নারীদের জন্য অবমাননাকর। কিছু মানুষ এই পুরুষ অভিভাবক ব্যবস্থার অপব্যবহার করে সুবিধা নেয়।’

এর আগে ২০১১ সালে সৌদির প্রয়াত বাদশাহ আবদুল্লাহ দেশটির শূরা কাউন্সিলে সরকারি উপদেষ্টা হিসেবে নারীদের নিয়োগের অনুমতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে এই প্রবণতা শুরু হয়। সৌদি নারীরা এখন পৌরসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন। এ ছাড়া ছোটখাটো কাজ, আতিথেয়তার কাজ করতে পারেন। ২০১২ সালে সৌদি নারীরা প্রথমবারের মতো অলিম্পিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।এনটিভি

মন্তব্যসমূহ