প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

বাড়ি ফিরেই মারা গেলেন 'বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ'

ইন্দোনেশিয়ার এক ব্যক্তি যার বয়স প্রায় দেড়শ বলে দাবি করা হয় এবং বলা হয় যে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ, তিনি মারা গিয়েছেন।
কাগজপত্র অনুযায়ী, মধ্য জাভার অধিবাসী সোদিমেজো নামের এই ব্যক্তির ১৪৬ বছর।
তার জন্ম হয়েছিল ১৮৭০ সালে। ইন্দোনেশিয়ায় জন্ম সনদ তৈরির কাজটি শুরু হয়েছিল ১৯০০ সালে।
কিন্তু এরপরও কর্মকর্তারা বলেছেন, মি. সোদিমেজোর সাথে কথা বলে এবং জন্ম তারিখের সপক্ষে তিনি যেসব কাগজপত্র এবং প্রমাণ জমা দিয়েছেন তা যাচাই করে তারা নিশ্চিত হয়েছেন।
স্বাস্থ্যগত কারণে গত ১২ই এপ্রিল তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু তিনি সেখানে থাকতে চাননি।
বাড়িতে ফিরিয়ে আনার কয়েক দিন পর তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছেন তার একজন নাতী।

গত বছর মি. সোদিমেজো বিবিসিকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তার এই দীর্ঘ জীবনের গোপন চাবিকাঠি কী?
জবাবে তিনি জানিয়েছিলেন, একটি হচ্ছে ধৈর্য। “আর অন্যটি হচ্ছে ভালবাসা – যারা আমার আশেপাশে রয়েছে, আমাকে দেখাশোনা করছে তাদের ভালবাসা।”
মি. সোদিমেজো ছিলেন একজন চেইন স্মোকার। তার চার স্ত্রী, ১০ ভাই-বোন এবং সব সন্তান এর আগেই মারা গেছে।
আত্মীয়রা জানাচ্ছেন, তার কবরের ফলকটি দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির দরজার পাশে পড়ে ছিল।
সোমবার তার কবর হয়ে যাওয়ার পর ফলকটি সেখানে লাগিয়ে দেয়া হয়। সূত্র: বিবিসি

মন্তব্যসমূহ