তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

বাকশক্তি হারালেন রহস্যময় ধনকুবের মূসা বিন শমশের


বাংলাদেশের অন্যতম ধনকুবের মূসা বিন শমশের বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন বলে বুধবার শুল্ক গোয়েন্দাদের কাছে দেয়া এক চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন।

চিঠির সাথে তিনি ডাক্তারের সার্টিফিকেটও জমা দিয়েছেন। মূসা বিন শমশেরের ঐ চিঠির একটি কপি আমাদের হাতে এসেছে।

এতে দেখা যাচ্ছে তিনি দাবি করছেন যে তার মুখের একপাশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত। তার বাকশক্তি মারাত্মকভাবে লোপ পেয়েছে। তিনি ভালভাবে কথা বলতে পারছেন না। সে কারণে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভীষণ পর্যুদস্ত।
ডাক্তার তাকে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা নিতে পরামর্শ দিয়েছেন এবং বিশ্রাম নিতে বলেছেন বলে ঐ চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন।

সে কারণে শুল্ক গোয়েন্দা তদন্ত দলের সামনে সশরীরে হাজির হতে তিন মাস সময় প্রার্থনা করেন মূসা।

একটি বিলাসবহুল গাড়ির শুল্ক ফাঁকি ও মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত তদন্তের সূত্রে ২০শে এপ্রিল মূসা বিন শমশেরের শুল্ক গোয়েন্দা দপ্তরে হাজির হওয়ার কথা ছিল।

গত ২১শে মার্চ শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মূসা বিন শমশেরের মালিকানাধীন একটি বিলাসবহুল রেঞ্জ রোভার গাড়ি আটক করেন বলে ঐ দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল।

কর্মকর্তারা বলছেন, এই গাড়িটি ভুয়া আমদানি দলিল দিয়ে অন্য একটি নম্বর দিয়ে ভোলা থেকে রেজিস্ট্রেশন করা হয় অন্য এক ব্যক্তির নামে। তবে রেজিস্ট্রেশনের সময় গাড়িটির রঙ সাদা থাকলেও উদ্ধারকৃত গাড়িটি হচ্ছে কালো রঙের।

কর্মকর্তারা বলছেন, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে এই গাড়ির শুল্ক পরিশোধের প্রমাণ হিসেবে যে বিল অব এন্ট্রি দেখানো হয়েছে, সেটি ভূয়া।

_95703814_musa

শুল্ক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২১শে মার্চ এই গাড়ি আটক নিয়ে সারাদিন ধরে রীতিমত নাটক চলে। মূসা বিন শমশেরকে সেদিন সকাল আটটায় গাড়িটি হস্তান্তরের নোটিশ দেয়া হয়।

কিন্তু তারা গাড়িটি ধানমন্ডিতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে সরিয়ে ফেলেন। সেখান থেকেই বিকেলে গাড়িটি জব্দ করেন শুল্ক কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তারা জানান মূসা বিন শমশেরের বিরুদ্ধে শুল্ক আইন এবং অর্থ পাচার আইনে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে শুল্ক দফতর।

এ ব্যাপারে মূসা বিন শমশেরের বক্তব্য জানার জন্য তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

সূত্র: বিবিসি

মন্তব্যসমূহ