প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

বাংলাদেশে ‘নারীদের মধ্যে তামাক এবং মাদক ব্যবহার বাড়ছে’

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে তামাক এবং মাদকের ব্যবহার বেড়েছে বলে জানাচ্ছে মাদকবিরোধী সংগঠন, মানস।
এ সংক্রান্ত একটি গবেষণামূলক গ্রন্থ আজ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।
মানসের সভাপতি ডা. অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ গবেষণায় দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের ১৫ বয়সোর্ধ্ব ৪৩ শতাংশ মানুষ তামাকে আসক্ত। তামাক গ্রহণকারীদের মধ্যে ২৯ শতাংশ নারী।
১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে পনের শতাংশ নারী নানা ধরণের মাদকে আসক্ত বলেও সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে বলে জানান ডা. চৌধুরী।
তিনি বলেন, ৫ বছর আগেও এই সংখ্যা বেশ খানিকটা কম ছিল।

তবে তামাক ব্যবহারকারী নারীদের মধ্যে অধিকাংশই এখনো ধোঁয়াহীন তামাকই ব্যবহার করেন। তবে পরোক্ষভাবেও অনেক নারী তামাকের ধোঁয়ার শিকার হচ্ছেন।
গবেষণার তথ্যমতে, কর্মক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ এবং জনসমাগমের স্থানে ২১ শতাংশ নারী পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন।
“নারীরা শুধু পরোক্ষভাবেই নয়, প্রত্যক্ষভাবেও তামাক গ্রহণকারীর সংখ্যাও বাড়ছে” বলেন ড. চৌধুরী।
সরকারীভাবে কোন পরিসংখ্যান না থাকলেও, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার হিসেবে বাংলাদেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা ৫০ লাখেরও বেশি।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক বর্তমানে ইয়াবা। ড. চৌধুরী বলেন, ফেন্সিডিলের সরবরাহ কিছুটা কমলেও মিয়ানমার থেকে অবাধে ইয়াবা এসে দেশে সয়লাব হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আগের চেয়ে সহজলভ্য হওয়ায় মাদকাসক্তরাও ইয়াবার দিকে ঝুঁকছে। সূত্র: বিবিসি

মন্তব্যসমূহ