গণহত্যায় জড়িত হয়ে ক্ষমা না চাইলে রাজনীতিতে ঠাঁই নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে যারা জড়িত এবং এসব অপকর্মের জন্য যাদের কোনো অনুশোচনা নেই, দেশের মানুষ তাঁদের রাজনীতি বরদাশত করবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকালে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্মিত ফ্ল্যাট উদ্বোধন ও পরবর্তীতে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র বরদাশত নয় অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশে বসে একটি নির্দিষ্ট চক্রান্তকারী গোষ্ঠী বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দেশের জনগণ সচেতন এবং তাদের এই ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতায় কোনো কাজ হবে না বলে তিনি জোর দাবি করেন। অপরাধীদের ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্ট করে বলেন, "যারা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সরাসরি দায়ী, অথচ এখনও পর্যন্ত এসব অপরাধের জন্য বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নয় এবং দেশের মানুষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চায়নি, তাদের কোনো ধরনের রাজনীতি বাংলাদেশের মাটিতে ঠাঁই পাবে না।" অনুষ্ঠানে স...

পৃথিবীর সব থেকে বেশি বয়সের জীবিত মানুষ

এমবা গোতো। ইন্দোনেশিয়ার প্রবীনতম নাগরিক। বয়স আনুমানিক ১৪৬ বছর। ১০ সন্তানের পিতা তিনি। ছিল ৪ বউ, যদিও কেউই এখন আর বেঁচে নেই। এমবা গোতো এখন তাঁর পরিবারের এক এবং অন্তিম জীবন যিনি দেড় শতক ধরে পৃথিবীর বুকে নিঃশ্বাস নিচ্ছেন। ১৮৭০ সালে জন্ম, এখন তিনি দেড়শোর দিকে...। এই প্রদীপ নিভলেই যবনিকা  টানা হবে ইতিহাসের জীবন্ত দিনপঞ্জির। ঠিক মনে নেই, কবে জন্মেছিলেন! এমবা গোতো শুধু এই টুকুই মনে করতে পারেন বর্ষবরণের এক সন্ধ্যায় জন্ম হয়েছিল তাঁর, এমনটাই নাকি তাঁকে বলেছেন তাঁর মা বাবা। আর এই 'মিথ'কে মাথায় রেখেই প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও সেলিব্রেট হল এমবা গোতোর জন্মদিন। পরিবারের দাবি তাঁর বয়স হল ১৪৬।
২০১০ সালে ইন্দোনেশিয়ার জনগণনা অনুযায়ী সরকারি ভাবেই এমবা গোতোর বয়স নথিভুক্ত করা হয়েছিল ১৪২ বছর। সেই হিসেব করলে তিনি এখন ১৪৮। তবে পরিবার বলছে তিনি ১৪৬। নিজের জন্মদিন মনে করতে না পারলেও এমবা গোতো এখনও স্পষ্ট মনে করতে পারেন সেই দিনের কথা যেদিন তিনি চিনির কারখানা তৈরি করেছিলেন।
১৯৮৮ সালে তাঁর ৪ স্ত্রীর মধ্যে শেষ জন মারা যান। সেই থেকেই নিঃসঙ্গ জীবন। তবে জীবনের প্রতি তাঁর প্রেম কিন্তু আজও অটুট। জীবনকে ছাড়তে চাইলেও, জীবন যে তাঁকে বেঁধে রেখেছে, যেমন নোঙর বেঁধে রাখে নৌকাকে। ১২২ বছর যখন বয়স তাঁর, জীবন থেকে মোহ উঠে যায়। তবে মৃত্যুকে জড়িয়ে ধরতে এখনও পারেননি এমবা গোতো। দীর্ঘায়ুর রসদ কী? জানতে চাইলেই এমবা গোতো আধো আধো সুরে বলেন, "ধৈর্যই তাঁর দীর্ঘায়ুর একমাত্র কৌশল"। তবে অনেকেই মনে করেন এমবা গোতোর জন্ম বৃত্তান্ত সঠিক নয়।  নতুনবার্তা

মন্তব্যসমূহ