প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

বাংলাদেশে বন্ধ হচ্ছে সাড়ে পাঁচশো পর্ন-সাইট

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বা বিটিআরসি জানিয়েছে সরকারের নির্দেশে দেশে অন্তত সাড়ে পাঁচশো পর্ন-সাইট বন্ধ করা হচ্ছে।
বিটিআরসির মিডিয়া ও প্রযুক্তি বিভাগের পরিচালক মো: সারওয়ার আলম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, "কোন সাইট ক্ষতিকারক তা যাচাইবাছাইয়ের জন্য একটি কমিটি আছে, ওই কমিটির পর্যালোচনা ও নির্দেশের ভিত্তিতেই দেশের প্রায় সাড়ে পাঁচশো পর্ন-সাইট বন্ধ করা হচ্ছে। দেশের যুবসমাজের অবক্ষয় রোধে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।"
এরই মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একটি তালিকা বিটিআরসির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন ইন্টারনেট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। তালিকাভুক্ত পর্ন ওয়েবসাইটগুলো বন্ধে কাজও করছে বিটিআরসি।
বেশ কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান যে দেশের পর্ন ওয়েবসাইট বন্ধ করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
তবে তখন কয়েকটি দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে তারানা হালিমকে উদ্ধৃত করে এ সংবাদও প্রকাশ হয় যে বাংলাদেশে পর্ন সাইটে প্রবেশকারী ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করার কথা ভাবছে সরকার।
আর এ খবর নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারানা হালিম জানান যে ওই বক্তব্য তিনি দেননি।

তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন "পর্ণ সাইটের প্রবেশকারীদের নামের তালিকা করার প্রশ্নই আসে না। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। পর্ণ সাইটের প্রবেশকারীদের নামের তালিকা করার কোন কথা কখনই বলিনি। এটি হবেও না। টেকনিক্যালিও সম্ভব নয়।"
তবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল বিভিন্ন পর্ন ওয়েবসাইটের তালিকা করা হচ্ছে।
জানা যাচ্ছে, তালিকাভুক্ত সাইটগুলোর মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে পরিচালিত পর্নসাইটগুলোই বেশি, তবে কয়েকটি বিদেশি সাইটও রয়েছে তালিকায়।
বিটিআরসি বলছে, এ সংক্রান্ত কমিটি ওয়েবসাইটের তালিকা করাসহ পুরো বিষয়টি তদারকি করছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নেয়া হবে। বিবিসি

মন্তব্যসমূহ