নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

ওয়াশিংটন পোস্ট: গণতন্ত্র রক্ষায় সু চি’কে মুসলিম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে

মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের দমন-পীড়ন বেড়েই চলেছে। কিন্তু বার্মা নিয়ে গত কয়েক বছরের অধ্যয়ন, পরিদর্শন ও বসবাসের কারণে আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি অং সান সু চি রোহিঙ্গাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কারণ সম্পর্কে অনেক কিছু জানেন এবং এ সম্পর্কে ভয়াবহ ধারণা অনুভব করেন।

তিনি যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোনো পত্রিকার একজন সম্পাদক হতেন, তাহলে তিনি নিশ্চিতভাবেই রোহিঙ্গাদের প্রতি অমানবিক আচরণে পরাশক্তিগুলোর মনোযোগ আকর্ষণে দ্বিধা করতেন না। গত পাঁচ দশকের সামরিক দুঃশাসন থেকে রাজনৈতিক উত্তরণের প্রাথমিক পর্যায়ে আছে দেশটি। সু চি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত দেশটির নেতা।

১৯৪৮ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানোই আইনসঙ্গতভাবে অং সান সু চি’র শীর্ষ অগ্রাধিকার। এছাড়াও, দেশজুড়ে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠদের মধ্যে মুসলিম বিরোধী অনুভূতির অবসান ঘটনোও তার অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিৎ। কিন্তু এমন অনুভূতি কাটিয়ে উঠতে তেমন কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না।


এসব বিষয়ে মনোযোগ দেয়া ছাড়া অং সান সু চি তার গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সূচিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করতে পারবে না এবং এজন্য সু চি’কে অবশ্যই মুসলিম নির্যাতন বন্ধে কার্যকর প্রদক্ষেপ নিতে হবে। এ ব্যাপারে বার্মার বিদেশি বন্ধুরা তার সবচেয়ে সহায়ক হতে পারে।

লেখক লেক্স রিফেল। তিনি ওয়াশিংটনের ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের একজন অনাবাসিক সিনিয়র সহকর্মী।

ওয়াশিংটন পোস্ট অবলম্বনে

মন্তব্যসমূহ