জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

ওয়াশিংটন পোস্ট: গণতন্ত্র রক্ষায় সু চি’কে মুসলিম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে

মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের দমন-পীড়ন বেড়েই চলেছে। কিন্তু বার্মা নিয়ে গত কয়েক বছরের অধ্যয়ন, পরিদর্শন ও বসবাসের কারণে আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি অং সান সু চি রোহিঙ্গাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কারণ সম্পর্কে অনেক কিছু জানেন এবং এ সম্পর্কে ভয়াবহ ধারণা অনুভব করেন।

তিনি যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোনো পত্রিকার একজন সম্পাদক হতেন, তাহলে তিনি নিশ্চিতভাবেই রোহিঙ্গাদের প্রতি অমানবিক আচরণে পরাশক্তিগুলোর মনোযোগ আকর্ষণে দ্বিধা করতেন না। গত পাঁচ দশকের সামরিক দুঃশাসন থেকে রাজনৈতিক উত্তরণের প্রাথমিক পর্যায়ে আছে দেশটি। সু চি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত দেশটির নেতা।

১৯৪৮ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটানোই আইনসঙ্গতভাবে অং সান সু চি’র শীর্ষ অগ্রাধিকার। এছাড়াও, দেশজুড়ে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠদের মধ্যে মুসলিম বিরোধী অনুভূতির অবসান ঘটনোও তার অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিৎ। কিন্তু এমন অনুভূতি কাটিয়ে উঠতে তেমন কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না।


এসব বিষয়ে মনোযোগ দেয়া ছাড়া অং সান সু চি তার গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সূচিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করতে পারবে না এবং এজন্য সু চি’কে অবশ্যই মুসলিম নির্যাতন বন্ধে কার্যকর প্রদক্ষেপ নিতে হবে। এ ব্যাপারে বার্মার বিদেশি বন্ধুরা তার সবচেয়ে সহায়ক হতে পারে।

লেখক লেক্স রিফেল। তিনি ওয়াশিংটনের ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের একজন অনাবাসিক সিনিয়র সহকর্মী।

ওয়াশিংটন পোস্ট অবলম্বনে

মন্তব্যসমূহ