জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

কঙ্গোতে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৪

 




গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও রয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকউইত থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশে উড্ডয়ন করেছিল। পথে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেঙ্গেতে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করে বিমানটি। তবে সেখানে কোনো রানওয়ে না থাকায় একটি আবাসিক এলাকায় গিয়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।


কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপগভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা বলেন, ‘কেঙ্গেতে কোনো রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় গিয়ে বিধ্বস্ত হয়।’


কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেনগে ১৪ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিমানে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পাইলটের নিথর দেহ বিমানটির বাইরে পাওয়া গেছে।’


সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক মানুষও ছিলেন। এ ছাড়া দুই জেনারেলের সঙ্গে থাকা সরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং সামরিক বাহিনীর আরও কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন। উপগভর্নর বোকিন্ডাও জানিয়েছেন, নিহতদের অধিকাংশের মরদেহ পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।


দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেজর জেনারেল একেনগে।


মধ্য আফ্রিকার বিশাল ও খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ডিআর কঙ্গো কয়েক দশক ধরে সংঘাতে জর্জরিত। বিশেষ করে রুয়ান্ডার সীমান্তসংলগ্ন দেশটির পূর্বাঞ্চলে মূল্যবান খনি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষ চলছে। গত বছর থেকে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঙ্গোর সামরিক বাহিনী লড়াই করে আসছে।

মন্তব্যসমূহ