জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

ইবি সংলগ্ন বাগান থেকে আপত্তিকর অবস্থায় যুগল আটক, বিয়ে আজ

 




ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সংলগ্ন কাঁঠালবাগান এলাকা থেকে আপত্তিকর অবস্থায় দুই শিক্ষার্থীকে আটক করে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ শনিবার উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে সামাজিক ও আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহের আয়োজন করা হয়েছে।


আটককৃতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্র এবং হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম) বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্রী।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কিছুদিন ধরেই ওই শিক্ষার্থী যুগলকে রাতের আঁধারে ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকার একটি বাগানে যাতায়াত করতে দেখা যাচ্ছিল। শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে তারা আবার সেখানে অবস্থান নিলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের হাতে-নাতে আটক করেন। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।


পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান এবং ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে প্রক্টর অফিসে এক জরুরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে দুই শিক্ষার্থীর লিখিত সম্মতি ও ইচ্ছার ভিত্তিতে তাদের নিজ নিজ পরিবারকে সংবাদ দেওয়া হয়।


আটককৃত ছাত্র নিজের ভুল স্বীকার করে জানান, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি স্বেচ্ছায় ছাত্রীকে বিয়ে করতে সম্মত।


বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান জানান, ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই আমাদের টিম গিয়ে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসে। আইন-শৃঙ্খলা ও সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখতে এবং তাদের নিজেদের সম্মতির ভিত্তিতে অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে তাদের বিবাহের কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে।

মন্তব্যসমূহ