সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সবার গর্বিত পরিচয়, আমরা সবাই বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়ে দীর্ঘদিন কংসের মতো নিষ্ঠুর শাসক এ দেশের জনগণের কাঁধে চেপে বসেছিল। হাজারও প্রাণের বিনিময়ে সেই ফ্যাসিস্টের পতন ঘটিয়েছে জনগণ। তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়ে এবার দেশ পুনর্গঠনের পালা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ নানাভাবে গুজব ছড়াচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এজন্য ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহিষ্ণুতা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার কথাও জানান তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশ আমাদের সবার। নাগরিক হিসেবে এ দেশে সবার অধিকার সমান। নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। বর্তমান সরকার ও বিএনপি বিশ্বাস করে —‘ ধর্ম যার...

নেপাল-চীন সীমান্তে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১,২৪৩



 নেপাল ও চীন সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে স্মরণকালের ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও ধারাবাহিক ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৪৩ জনে। এই প্রলয়ংকরী দুর্যোগে এখনও অন্তত সাড়ে চার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

দুর্যোগের পর বিস্তীর্ণ পাহাড়ি জনপদ মাটির নিচে চাপা পড়েছে। বহু পাহাড়ি সড়ক ধ্বংস হয়ে যাওয়া, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেপালি সেনাবাহিনী ও পুলিশের ১০ হাজারেরও বেশি সদস্য প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। উদ্ধার অভিযানে গতি আনতে তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ভারত ও চীনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্বল হারিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। তারা বিভিন্ন অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। সেখানে জরুরি খাদ্য, ওষুধ এবং বিশুদ্ধ পানির চরম সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে এই নজিরবিহীন দুর্যোগের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জলবায়ু ক্ষতিপূরণ দাবি করার জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে নেপাল সরকার। দেশটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের পেছনে প্রধানত দায়ী অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণকারী উন্নত ও বৃহৎ শিল্পোন্নত দেশগুলো। 

মন্তব্যসমূহ