জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

বিসিবি পরিচালকের পদ থেকে সুজনের পদত্যাগ

 




একে একে দীর্ঘ হচ্ছে পদত্যাগের তালিকা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগের তালিকায় এবার নতুন নাম সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। আজ বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিসিবির পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সাবেক এই ক্রিকেটার। 


জানা গেছে, আজ দুপুরে ই-মেইলের মাধ্যমে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন সুজন। পরিচালকের পাশাপাশি গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। 


সুজনের আগে ই-মেইলের মাধ্যমে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছিলেন সাবেক বিসিবিপ্রধান নাজমুল হাসান পাপন, বিসিবির নারী উইংসের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও নাইমুর রহমান দুর্জয়। এ ছাড়াও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে নির্বাচিত হওয়া সাবেক বিসিবি পরিচালক জালাল ইউনুসও পদত্যাগ করেন। 


এদিকে সরকার পরিবর্তনের পর থেকে বিসিবির অনেক পরিচালকই ছিলেন আত্মগোপনে। নতুন সভাপতি হিসেবে ক্রিকেট বোর্ডের হাল ধরেছেন ফারুক আহমেদ। তার উপস্থিতিতে দুটি বোর্ড সভাও হয়ে গেছে। দুটি সভাতেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ও সম্পৃক্ত পরিচালকরা অংশ নেননি। এই তালিকায় ছিলেন- আ জ ম নাসির, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, শেখ সোহেল, ইসমাইল হায়দার মল্লিক, অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম, গাজী গোলাম মর্তুজা পাপ্পা, আহমেদ নজিব, মঞ্জুর কাদের ও ওবেদ নিজামসহ বেশ কয়েকজন। এর আগে গত ২১ আগস্ট ১২তম বোর্ড সভাতেও উপস্থিত ছিলেন না তারা। আর একটি সভায় উপস্থিত না থাকলেই বিসিবি পরিচালকের পদ হারাবেন তারা। তবে থেকে যাবে কাউন্সিলরশিপ।

মন্তব্যসমূহ