জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

আফগানিস্তানে ভারী বর্ষণে ৩৫ জনের প্রাণহানি

 




আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে প্রবল বর্ষণে অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং ২৩০ জন আহত হয়েছে। স্থানীয় এক কর্মকর্তা সোমবার (১৫ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর এএফপির।


তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান কুরাইশি বদলুন বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যায় জালালাবাদ ও নানগারহারের কিছু জেলায় ঝড়বৃষ্টিতে ৩৫ জন নিহত এবং ২৩০ জন আহত হয়েছে।’


বদলুন বলেন, প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির কারণে গাছ, দেয়াল ও মানুষের বাড়ির ছাদ ধসে পড়ে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।


‘হতাহত আরও বাড়তে পারে’ এ কথা উল্লেখ করে কুরাইশি বদলুন বলেন, আহতদের চিকিৎসার জন্য নানগারহার আঞ্চলিক হাসপাতাল এবং ফাতিমা-তুল-জাহরা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের শেয়ার করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, সাদা ও নীল ইউনিফর্ম পরা স্বাস্থ্য কর্মীরা আহতদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে বিধ্বস্ত ভবন এবং উপড়ে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি দেখা যায়। নানগারহার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৪০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় জালালাবাদের প্রাদেশিক রাজধানীতে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ ছিল। তারা জানায়, অনেক নাগরিক পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করতে হাসপাতালে রক্ত দিয়েছেন।


তালেবান সরকারের একজন মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ‘আমরা নিহতদের পরিবারের জন্য শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি।’


মুজাহিদ এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘ইসলামী আমিরাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ তারা বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে আশ্রয়, খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ করবে।


আফগানিস্তানে মে মাসে আকস্মিক বন্যায় শত শত লোক মারা যাওয়ার পর এবং দেশের কৃষিজমি জলাবদ্ধ হয়ে পড়ায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। যেখানে জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ বেঁচে থাকার জন্য কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল।

মন্তব্যসমূহ