জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

গাজার স্কুলে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৭

 




গাজা উপত্যকার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে জাতিসংঘের একটি স্কুলে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৭ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে আরও অন্তত ৮০ জন। খবর আলজাজিরার।


সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, গাজার মধ্যাঞ্চলে আজ-জাওয়াইদা শহরে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর রাতভর ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। গাজা শহরের জয়তুন এলাকাতেও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া গাজা শহরের পূর্বে কাফর আল-মাশরো এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর বোমাবর্ষণে একজন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে আরও অনেকে।


ওয়াফার প্রতিবেদন অনুসারে খান ইউনিস শহরের পূর্বে ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে বেশ কিছু লোক হতাহত হয়েছে।


এদিকে, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর প্রধান হার্জি হালেভি গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় ইসরায়েলি হামলার পক্ষে তার অবস্থান তুলে ধরেছেন। তার কথায় দুজন হামাস কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়েছিল। শনিবারের ওই হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গেছেন। হালেভি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই হামলা চালানো হয়েছে। আল-মাওয়াসি এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় ৯০ জন সাধারণ মানুষ নিহত হয় যাদের বেশিরভাগই নিরীহ নারী ও শিশু।


গত বছরের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজা উপত্যকায় ছড়িয়ে পড়া হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৪৪৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে যাদের বেশিরভাগই নিরীহ শিশু ও নারী। ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় নিহত হয় এক হাজার ১৩৯ জন ইসরায়েলি নাগরিক। এছাড়া হামাস বেশকিছু ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিককে অপহরণ করে গাজায় নিয়ে আসে যাদের মধ্যে বেশকিছু লোক এখনো তাদের হাতে বন্দি রয়েছে।

মন্তব্যসমূহ