প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

১৪ ও ১৬ ডিসেম্বর নতুন কর্মসূচি বিএনপির

 




সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে গত ২৮ অক্টোবরের পর থেকে হরতাল-অবরোধের কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। এ অবস্থায় আগামী ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।


এসব দিবসে দলটির নেতারা মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এ তথ্য জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।


তিনি জানান, ১৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে রওনা হবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা। তারা মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।


আর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামী ১৬ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ৮টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের অফিস থেকে রওনা করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। তারা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন ৮টা ৪০ মিনিটে। 


এরপর সেখান থেকে ফিরে সকাল ১০টায় বিএনপির নেতৃবৃন্দ শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মাজার জিয়ারত করবেন বলেও জানান শায়রুল কবির খান।  

মন্তব্যসমূহ