ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

ইনুর নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ গুণের বেশি


১০ বছরে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর নগদ টাকা বেড়েছে প্রায় ৫২ গুণ। বর্তমানে তার কাছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ ১৫৫ টাকা আছে।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনের হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

দশম সংসদ নির্বাচনের সময় ইনুর কাছে নগদ ৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ছিল। একাদশ নির্বাচনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ লাখ ৬৬ হাজার ৩৮৬ টাকা। আর বর্তমানে তার কাছে আছে ৩ কোটি ৫৬ লাখ ১৫৫ টাকা। অর্থাৎ, ১০ বছরের ব্যবধানে তার নগদ টাকা বেড়েছে প্রায় ৫২ গুণ।

এ ছাড়া এবার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ইনুর জমা আছে ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ৯২৪ টাকা, যা ৫ বছর আগে ছিল ৪৪ লাখ ৫১ হাজার ৪৮০ টাকা এবং ১০ বছর আগে ছিল ৩৬ লাখ ৭০ হাজার ১৫৬ টাকা।

হলফনামায় দেওয়া তথ্য থেকে আরও জানা গেছে, ইনুর বর্তমানে বার্ষিক আয় ৩৩ লাখ ৭৪ হাজার ৮০৪ টাকা। একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় ছিল ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৬২৩ টাকা এবং ১০ বছর আগে ছিল ২৬ লাখ ৩৬ হাজার ৭৮২ টাকা।

কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের টানা তিনবারের এই সংসদ সদস্যের স্ত্রী আফরোজা হকেরও নগদ টাকা বেড়েছে। ১০ বছর আগে তার কাছে নগদ টাকা ছিল মাত্র ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৯০ টাকা। ৫ বছর আগে ছিল ৬০ লাখ ৩ হাজার ২৫৮ টাকা। এখন তার নগদ টাকা আছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৪৩ টাকা।

এ ছাড়া ১০ বছর আগে আফরোজা হকের নামে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল মাত্র ৮০ হাজার ৪৯৩ টাকা। ৫ বছর আগে তার কাছে ১৪ লাখ ২৮ হাজার ৬৭৭ টাকা থাকলেও এখন আছে ১৬ লাখ ৩৭ হাজার ২৭০ টাকা।

হলফনামায় হাসানুল হক ইনু নিজেকে রাজনৈতিক কর্মী ও প্রকৌশলী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ও তার ওপর নির্ভরশীলদের আয়ের মধ্যে কৃষি খাতে কোনো আয় নেই। তার আয়ের বড় অংশ আসে ব্যবসা, বেতন-ভাতা, ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ও টিভি টকশো থেকে।

মন্তব্যসমূহ