প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

পর্দার নায়ক ছিলাম, এবার মাঠের নায়ক হবো: ফেরদৌস

 




দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ঢাকা-১০ আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। 


মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) বেলা ১১টায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের ফেরদৌস বলেন, এতদিন পর্দার নায়ক ছিলাম, এবার মাঠের নায়ক হবো।


২৯ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেবেন ফেরদৌস। তিনি বলেন, আমি সব সময় নায়ক থাকতে চাই। কখনোই অন্য চরিত্রের অভিনেতা হবো না। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি কখনো বাবার চরিত্রে অভিনয় করব না। নায়ক হিসাবেই ইন্ডাস্ট্রি থেকে অবসরে যাব। এতদিন পর্দার নায়ক ছিলাম এখন মাঠের নায়ক হবো। নায়ক হিসেবেই থাকব, রাজনীতিতেই থাকবো। যদি কখনও সুন্দর চরিত্র মনে হয় তাহলে বছরে একটা ছবি করব।


তিনি আরও বলেন, আমার পরিবারের অনেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আমার শ্বশুর যশোরের এমপি ছিলেন। আমি ২০০১ সালে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমার জন্য যখন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেলাম ৷ তখন থেকে তার সঙ্গে আমার একটা আত্মিক বন্ধন তৈরি হয়। এর পর আমি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কমিটির সঙ্গে যুক্ত হলাম। প্রচার প্রচারণায় কাজ করতে শুরু করলাম। এভাবেই আমার এখানে আসা। এর আগে যখন চেয়েছিলাম প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছিলেন আমাদের নায়ক দরকার আছে, এখনো কাজ কর। এবার যখন মনোনয়নপ্রত্যাশী হলাম, প্রধানমন্ত্রী আমাকে এত বড় একটি দায়িত্ব দিলেন।


নির্বাচনে নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি প্রথমে যখন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গেলাম আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের যে ঢল, এটা আমি আগে কখনো দেখিনি। সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবাসে।


মন্তব্যসমূহ