মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

  ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনতার যুদ্ধ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ এবং মানুষের ভোটাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, বরং জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করে গণতন্ত্রকে পদদলিত করার ফলেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।  তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছিলেন, তারা অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে চাননি। এ কারণে স্বাধীনতা যুদ্ধের অসংখ্য ঘটনা, ত্যাগ ও বীরত্বগাঁথা এখনও যথাযথভাবে ইতিহাসে স্থান পায়নি, সেগুলো এখনও সাধারণ মানুষের কাছে অজানা রয়ে গেছে এবং সেই ইতিহাসকে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে ও জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। আজ শুক্রবার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস-এর ৫৪তম কমিশনিং ও ফেলোশিপ ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার পর এমন ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে যে, কেবল কয়েকটি ভাষণের মাধ্যমেই দ...

দ্বিতীয় দফায় ১৭ ইসরাইলি জিম্মিকে ছাড়ল হামাস, ৩৯ ফিলিস্তিনি পেলেন মুক্তি 


যুদ্ধবিরতির চুক্তি অনুযায়ী দ্বিতীয় দফায় আরও ১৭ ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে গাজা নিয়ন্ত্রণকারী ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। মুক্তি পাওয়া জিম্মিরা আজ রোববার ইসরাইলে পৌঁছায়। 

এদিকে ইসরাইলি কারাগার থেকে আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। খবর রয়টার্সের। 

টেলিভিশন ফুটেজে দেখা যায়, গাজা থেকে রাফাহ ক্রসিং দিয়ে রেডক্রসের বাসে চড়ে মিশরে যাচ্ছেন হামাসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া জিম্মিরা। এবার মুক্তি পাওয়া ১৭ জিম্মির মধ্যে ১৩ জন ইসরাইলি নাগরিক ও চারজন থাইল্যান্ডের নাগরিক রয়েছেন। 

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অফিস জানায়, মুক্তি পাওয়া ১৩ ইসরাইলি জিম্মির মধ্যে ছয়জন নারী ও সাত শিশু-কিশোর রয়েছে। 

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, মুক্ত জিম্মিরা ইসরাইলে পৌঁছেছে। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। সেখানে তারা পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হবে। 

ইসরাইল সরকার জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফায় মুক্তি পাওয়া ৩৯ ফিলিস্তিনি পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিমতীরে তাদের বাড়িতে ফিরে গেছে। তাদের ইসরাইলের বিভিন্ন কারাগার থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মুক্তি পাওয়া সবাই নারী ও শিশু-কিশোর। 

গতকাল শনিবার দ্বিতীয় দফায় জিম্মিদের মুক্তি দিতে দেরি করছিল ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠিটি হামাস। তারা দাবি করে, গাজায় ত্রাণ সহায়তা আসতে বাধা দিচ্ছে ইসরাইল। এই ত্রাণ আসতে দিলেই জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে; এর আগে নয়। এমনকি কারাগারে বন্দিদের মুক্তি দিতেও নিয়ম মানছে না ইসরাইল। 

কাতারের মধ্যস্থতা হওয়া ইসরাইল-হামাস চার দিনের যুদ্ধবিরতির চুক্তি অনুযায়ী, হামাস ৫০ ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে। অপরদিকে ইসরাইল তাদের কারাগার থেকে ১৫০ ফিলিস্তিনিকে ছেড়ে দেবে।




মন্তব্যসমূহ