নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

ইসরায়েলের হামলায় ৬১৪ শিশুসহ ১৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত

 




ইসরায়েলের হামলায় ৬১৪ শিশুসহ এখন পর্যন্ত এক হাজার ৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।


শনিবার (১৪ অক্টোবর) মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।


এতে বলা হয়, গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর প্রতিশোধ হিসেবে ফিলিস্তিনে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল সেনারা। তারা গাজায় বিদ্যুৎ, খাদ্য, পানি এবং জ্বালানির সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে গত সাত দিনে সাংবাদিক, চিকিৎসক ও বেসামরিক নাগরিকসহ এক হাজার ৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ৬১৪ জন শিশু ও ৩৭০ জন নারী রয়েছে। আহত হয়েছে প্রায় ৮ হাজার ফিলিস্তিনি।


অন্যদিকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের নজিরবিহীন হামলায় ইসরায়েলের অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকেই।


এদিকে, উত্তর গাজায় বসবাসকারী ১০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনিকে সরে যাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিল ইসরায়েল। কিন্তু, তার আগেই বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ৭০ জনের প্রাণ গেছে।


হামাস কর্মকর্তারা জানান, নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। তারা সবাই ইসরায়েলের হামলার ভয়ে উত্তর গাজা ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় পালাচ্ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ