ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

ইসরায়েলের হামলায় ৬১৪ শিশুসহ ১৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত

 




ইসরায়েলের হামলায় ৬১৪ শিশুসহ এখন পর্যন্ত এক হাজার ৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।


শনিবার (১৪ অক্টোবর) মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।


এতে বলা হয়, গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর প্রতিশোধ হিসেবে ফিলিস্তিনে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল সেনারা। তারা গাজায় বিদ্যুৎ, খাদ্য, পানি এবং জ্বালানির সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে গত সাত দিনে সাংবাদিক, চিকিৎসক ও বেসামরিক নাগরিকসহ এক হাজার ৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ৬১৪ জন শিশু ও ৩৭০ জন নারী রয়েছে। আহত হয়েছে প্রায় ৮ হাজার ফিলিস্তিনি।


অন্যদিকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের নজিরবিহীন হামলায় ইসরায়েলের অন্তত ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকেই।


এদিকে, উত্তর গাজায় বসবাসকারী ১০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনিকে সরে যাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিল ইসরায়েল। কিন্তু, তার আগেই বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ৭০ জনের প্রাণ গেছে।


হামাস কর্মকর্তারা জানান, নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। তারা সবাই ইসরায়েলের হামলার ভয়ে উত্তর গাজা ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় পালাচ্ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ