জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

প্রাথমিকে থাকছে না বৃত্তি পরীক্ষা

 



প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে, বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ হলেও ভিন্ন আঙ্গিকে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে। আজ মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এনটিভি অনলাইনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 


মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা থাকছে না। ভিন্ন প্রক্রিয়ায় মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে। তবে, বৃত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কি কি মানদণ্ড থাকবে, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা জানান, সর্বশেষ ২০০৮ সালে প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর পরের বছর ২০০৯ সালে পিইসি পরীক্ষা চালু হয়। এ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হতো। পিইসি পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করায় ২০২২ সালে ১৩ বছর পর আবারও পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। পঞ্চম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় যারা ২৫ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছিল, তারা এ বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল।

মন্তব্যসমূহ