প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

ইকুয়েডরে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকে গুলি করে হত্যা

 




ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিওকে স্থানীয় সময় বুধবার (৯ আগসট) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।


এদিন একটি জনসভা শেষ করে গাড়িতে উঠছিলেন ফার্নান্দো। তখনই গুলি ছোড়া হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।


ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিওর প্রচারণার দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার প্যাট্রিসিও বলেন, ‘ইকুয়েডরের মানুষ কাঁদছেন। রাজনীতির কারণে এভাবে যেন কারো মৃত্যু না হয়।’


অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস থেকে জানানো হয়, হামলাকারী পুলিশের গুলিতে মারা গেছে।


ইকুয়েডরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা আগামী ২০ আগস্ট। মোট আটজন প্রার্থী প্রেসিডেন্ট পদে লড়ছেন। জনমত সমীক্ষায় ফার্নান্দো ছিলেন পাঁচ নম্বরে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া মনোভাবের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।


ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইলারমো লাসো বলেন, ‘ফার্নান্দোর স্মৃতি এবং তার লড়াইকে সম্মান জানাতে সব দোষীদের ধরে শাস্তি দেওয়া হবে।’


গুইলারমো লাসো বলেন, ‘এই ধরনের সংগঠিত অপরাধীদের সাহস খুব বেড়ে গেছে। আইন এবার সর্বশক্তি নিয়ে তাদের মোকাবিলা করবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অফিসারদের নিয়ে আমি জরুরি বৈঠক করব।’


ফার্নান্দো ছিলেন সাবেক সাংবাদিক। গত ছয় বছর ধরে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য ছিলেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার দল ছিল বিল্ড ইকুয়েডর মুভমেন্ট।তার লড়াই ছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে। সম্প্রতি তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল।


ইকুয়েডরে অপরাধী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষ হয়।

মন্তব্যসমূহ