তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ইকুয়েডরে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকে গুলি করে হত্যা

 




ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিওকে স্থানীয় সময় বুধবার (৯ আগসট) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।


এদিন একটি জনসভা শেষ করে গাড়িতে উঠছিলেন ফার্নান্দো। তখনই গুলি ছোড়া হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।


ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিওর প্রচারণার দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার প্যাট্রিসিও বলেন, ‘ইকুয়েডরের মানুষ কাঁদছেন। রাজনীতির কারণে এভাবে যেন কারো মৃত্যু না হয়।’


অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস থেকে জানানো হয়, হামলাকারী পুলিশের গুলিতে মারা গেছে।


ইকুয়েডরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা আগামী ২০ আগস্ট। মোট আটজন প্রার্থী প্রেসিডেন্ট পদে লড়ছেন। জনমত সমীক্ষায় ফার্নান্দো ছিলেন পাঁচ নম্বরে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া মনোভাবের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।


ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইলারমো লাসো বলেন, ‘ফার্নান্দোর স্মৃতি এবং তার লড়াইকে সম্মান জানাতে সব দোষীদের ধরে শাস্তি দেওয়া হবে।’


গুইলারমো লাসো বলেন, ‘এই ধরনের সংগঠিত অপরাধীদের সাহস খুব বেড়ে গেছে। আইন এবার সর্বশক্তি নিয়ে তাদের মোকাবিলা করবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অফিসারদের নিয়ে আমি জরুরি বৈঠক করব।’


ফার্নান্দো ছিলেন সাবেক সাংবাদিক। গত ছয় বছর ধরে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য ছিলেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার দল ছিল বিল্ড ইকুয়েডর মুভমেন্ট।তার লড়াই ছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে। সম্প্রতি তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল।


ইকুয়েডরে অপরাধী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষ হয়।

মন্তব্যসমূহ