তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

‘আমরা সঠিক পথে রয়েছি’, ব্লিঙ্কেনের বেইজিং সফরের পর বাইডেন

 




যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের বেইজিং সফরের পর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সঠিক পথে রয়েছি।’ সফরকালে ব্লিঙ্কেন চীনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। খবর এএফপির।


স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ জুন) ক্যালিফোর্নিয়ায় জলবায়ু ও পরিবেশবিষয়ক এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।


মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চীন সফর প্রসঙ্গে বাইডেন বলেন, ‘বেইজিং সফরকালে ব্লিঙ্কেন একটি জটিল দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা এ ক্ষেত্রে সঠিক পথে আছি।’


চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সোমবার বলেন, তিনি বেইজিংয়ে ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের অগ্রগতি দেখেছেন।


এর আগে ব্লিঙ্কেনকে বেইজিংয়ের সুবিশাল গ্রেট হল অফ দ্য পিপলে স্বাগত জানান শি। তিনি বলেন, ‘দুটি শক্তিধর দেশ অনির্ধারিত কিছু বিষয়ে অগ্রগতি করেছে এবং চুক্তিতে পৌঁছেছে।’


‘আশা করি ব্লিঙ্কেন এই সফরের মাধ্যমে চীন-মার্কিন সম্পর্কে স্থিতিশীলতা আনার জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবেন’, বলেন শি জিনপিং।


২০১৮ সালের পর কোনো মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটি ছিল প্রথম চীন সফর।


বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

মন্তব্যসমূহ