প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

‘আমরা সঠিক পথে রয়েছি’, ব্লিঙ্কেনের বেইজিং সফরের পর বাইডেন

 




যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের বেইজিং সফরের পর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সঠিক পথে রয়েছি।’ সফরকালে ব্লিঙ্কেন চীনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। খবর এএফপির।


স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ জুন) ক্যালিফোর্নিয়ায় জলবায়ু ও পরিবেশবিষয়ক এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।


মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চীন সফর প্রসঙ্গে বাইডেন বলেন, ‘বেইজিং সফরকালে ব্লিঙ্কেন একটি জটিল দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা এ ক্ষেত্রে সঠিক পথে আছি।’


চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সোমবার বলেন, তিনি বেইজিংয়ে ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের অগ্রগতি দেখেছেন।


এর আগে ব্লিঙ্কেনকে বেইজিংয়ের সুবিশাল গ্রেট হল অফ দ্য পিপলে স্বাগত জানান শি। তিনি বলেন, ‘দুটি শক্তিধর দেশ অনির্ধারিত কিছু বিষয়ে অগ্রগতি করেছে এবং চুক্তিতে পৌঁছেছে।’


‘আশা করি ব্লিঙ্কেন এই সফরের মাধ্যমে চীন-মার্কিন সম্পর্কে স্থিতিশীলতা আনার জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবেন’, বলেন শি জিনপিং।


২০১৮ সালের পর কোনো মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটি ছিল প্রথম চীন সফর।


বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

মন্তব্যসমূহ