ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

প্রেমিকাকে খুশি করতে ডাকাতি, এরপর ৭৮ লাখ টাকা উপহার

 




প্রেমিকার মন জয় করতে কতজনই না কতকিছু করে। কিন্তু তাই বলে একেবারে ডাকাতি। ভারতের উত্তর প্রদেশের ২২ বছরের এক যুবক তার প্রেমিকাকে খুশি করার জন্য ডাকাতি করে ৬০ লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭৮ লাখ টাকার বেশি) উপহার দিয়েছেন। খবর ফার্স্ট পোস্টের।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ বছরের পারস তিওয়ারি নিতান্তই একজন সাধারণ যুবক ছিলেন। তার প্রেমিকা মহিমা সিং তার থেকে দুই বছর বয়সে বড়। কিন্তু প্রেমিকার জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে একের পর এক ডাকাতি করে তার হাতে ৭৮ লাখ টাকা তুলে দিয়েছেন।


ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানা যায়, সম্প্রতি রাজ্যের এটাওয়াতে স্থানীয় পুলিশ একটি ডাকাত দলকে গ্রেপ্তার করে। এর পরেই অপরাধের নেপথ্যের কাহিনী জেনে পুলিশ কর্মকর্তারা চমকে উঠেন। এই ঘটনায় ওই প্রেমিক যুগলসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 


এটওয়া শহরে সম্প্রতি একের পর এক ডাকাতির ঘটনায় তদন্তে নেমে স্থানীয় পুলিশ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের জেরা করে অবাক হয় পুলিশ। প্রেমিকা মহিমা সিংয়ের ইচ্ছাপূরণ করতেই ওই চক্রের মূল পারস তিওয়ারি ডাকাতি করেছিলেন বলে দাবি তদন্তকারীদের।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহিমাকে খুশি করতে ডাকাত দল গঠন করেন পারস। এরপরেই একের পর এক ডাকাতি করেন তারা। গ্রেপ্তার হওয়া বাকিরা হচ্ছেন অমিত সোনি, রাজা, জ্ঞানেশ্বর গুপ্ত এবং দেবেন্দ্র বর্মা।



এটাওয়ার এসএসপি সঞ্জয় কুমার জানান, ডাকাত দলের কাছ থেকে নগদ ৯ লাখ রুপি, ৮ লাখ রুপির গয়না, দু’টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, একটি ছুরি এবং তিনটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।

মন্তব্যসমূহ