প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

সুদানের খার্তুমে বিমান হামলা, পাঁচ শিশুসহ নিহত ১৭

 




উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদানের রাজধানী খার্তুমে বিমান হামলায় পাঁচ শিশুসহ ১৭ জন নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবারের এই হামলায় খার্তুমের ঘনবসতিপূর্ণ ইয়ারমুক এলাকার ২৫টি বাড়িও ধ্বংস হয়ে গেছে। আজ রোববার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদানের সেনাবাহিনীর একজন শীর্ষ জেনারেল দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) বিরুদ্ধে হামলা বাড়ানোর হুমকি দেওয়ার একদিন পর বিমান হামলায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটল।


আরএসএফ জানিয়েছে, খার্তুমের মেয়ো, ইয়ারমুক এবং ম্যান্ডেলা এলাকায় বেসামরিক লোকদের লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক এই হামলাটি চালানো হয়েছে। অবশ্য সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।


গত ১৫ এপ্রিল খার্তুমে সুদানের সেনাবাহিনী এবং আরএসএফের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। আর চলতি জুন মাসের প্রথম দিকে আরএসএফ খার্তুমের ইয়ারমুক এলাকার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার দাবি করে।


উত্তর আফ্রিকার এই দেশটিতে টানা দুই মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে নিহত মানুষের সংখ্যার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সামনে আনা কঠিন। তবে নিহতের সংখ্যা এক হাজারের বেশি বলে মনে করা হয়। এর মধ্যে উভয় পক্ষের সংঘাতে বহু বেসামরিক নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন।


জাতিসংঘের মতে, সংঘাতের জেরে সুদানের মধ্যে প্রায় ২২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং ৫ লাখেরও বেশি মানুষ প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। ইতিপূর্বে মানুষকে যুদ্ধ থেকে পালাতে সুযোগ দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও সেগুলো পালন করা হয়নি।

মন্তব্যসমূহ