জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

সুদানের খার্তুমে বিমান হামলা, পাঁচ শিশুসহ নিহত ১৭

 




উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদানের রাজধানী খার্তুমে বিমান হামলায় পাঁচ শিশুসহ ১৭ জন নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবারের এই হামলায় খার্তুমের ঘনবসতিপূর্ণ ইয়ারমুক এলাকার ২৫টি বাড়িও ধ্বংস হয়ে গেছে। আজ রোববার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদানের সেনাবাহিনীর একজন শীর্ষ জেনারেল দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের (আরএসএফ) বিরুদ্ধে হামলা বাড়ানোর হুমকি দেওয়ার একদিন পর বিমান হামলায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটল।


আরএসএফ জানিয়েছে, খার্তুমের মেয়ো, ইয়ারমুক এবং ম্যান্ডেলা এলাকায় বেসামরিক লোকদের লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক এই হামলাটি চালানো হয়েছে। অবশ্য সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।


গত ১৫ এপ্রিল খার্তুমে সুদানের সেনাবাহিনী এবং আরএসএফের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। আর চলতি জুন মাসের প্রথম দিকে আরএসএফ খার্তুমের ইয়ারমুক এলাকার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার দাবি করে।


উত্তর আফ্রিকার এই দেশটিতে টানা দুই মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে নিহত মানুষের সংখ্যার সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সামনে আনা কঠিন। তবে নিহতের সংখ্যা এক হাজারের বেশি বলে মনে করা হয়। এর মধ্যে উভয় পক্ষের সংঘাতে বহু বেসামরিক নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন।


জাতিসংঘের মতে, সংঘাতের জেরে সুদানের মধ্যে প্রায় ২২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং ৫ লাখেরও বেশি মানুষ প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। ইতিপূর্বে মানুষকে যুদ্ধ থেকে পালাতে সুযোগ দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও সেগুলো পালন করা হয়নি।

মন্তব্যসমূহ