নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

বন্যা-ভূমিধসে কঙ্গোতে মৃত্যু বেড়ে ১৬৯




 ভারি বৃষ্টির কারণে বন্যা ও ভূমিধসে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৯ জনে। বন্যাজনিত দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩০ জন। দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জাতিসংঘের মানবিক কার্যক্রম সমন্বয় কার্যালয় (ওসিএইচএ) শুক্রবার এ তথ্য জানায়।


বন্যার কারণে রাজধানী কিনশাসার মন্ট-এনগাফুলা জেলার অন্তত ২৮০টি বাড়িঘর বিধ্বস্ত এবং কঙ্গোর মূল জাতীয় সড়কের বড় একটি অংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ৩৮ হাজার বাসিন্দা ক্ষতিগ্রস্ত এবারের বন্যায়।


বৃহস্পতিবার ওসিএইচএ-এর এবং সরকারের একটি যৌথ টিম ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে। ওসিএইচএ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আজ নিহতদের স্মরণে তিন দিনের জাতীয় শোক পালনের শেষ দিন। সরকার নিশ্চিত করেছে যারা তাদের জীবন হারিয়েছে তাদের দাফনের ব্যবস্থা করবে।’


পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার অন্তত ২০টি দেশের ৮২ লাখ মানুষ এ সপ্তাহে ভারি বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার, জাতিসংঘের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, ২৯ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং অর্ধ মিলিয়নেরও বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে।


একসময় কঙ্গো নদীর তীরে মাছ ধরার গ্রামগুলোর সমন্বয়ে কিনশাসে প্রায় দেড় কোটি মানুষের বসবাস। বিশাল জনসংখ্যাসহ আফ্রিকার বৃহত্তম মেগাসিটিগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে কিনশাসা।


অব্যবস্থাপনা আর অনিয়ন্ত্রিত দ্রুত নগরায়ন কিনশাসাকে তীব্র বৃষ্টিপাতের পর আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিতে ফেলেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে এসব দুর্যোগ আরও ঘন ঘন হচ্ছে। ইকুয়েত্যুর, মানিমা, নর্দ-উবাঙ্গি, সুদ-উবাঙ্গি এবং তিশোপো প্রদেশগুলো গত অক্টোবর থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালে কিনশাসে ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধসের কারণে ৩৯ জনের মৃত্যু হয়।

মন্তব্যসমূহ