প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

কাতার বিশ্বকাপে কোরআন তেলাওয়াত করা কে এই ঘানিম?

 




ফুটবল বিশ্বকাপের ৯২ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত করে সকলের নজর কেড়েছেন ঘানিম আল মুফতাহ। কডাল রিগ্রেশন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত এই কাতারি যুবকের জন্ম থেকেই পা নেই। নানা প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে কাজ করছেন মানবতার কল্যাণে। নিজ উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে তুলে তার মতো মানুষদের উপহার দিচ্ছেন হুইল চেয়ার।


ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে আয়োজনের কোনো কমতি ছিল না স্বাগতিক কাতারের। মনোমুগ্ধকর কোরআন তেলাওয়াতের সাথে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সেই সাথে জীবন বদলের গল্প। সব মিলিয়ে অসাধারণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। যা ফিফার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড বিবেচনায় পাচ্ছে শ্রেষ্ঠত্বের তকমা।


৯২ বছরের ইতিহাসে সর্বপ্রথম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে কোরআন পাঠ করে সকলকে চমকে দেন ঘানিম আল মুফতাহ। বিশেষভাবে সক্ষম ২০ বছর বয়সী এই কাতারি যুবক মঞ্চে উঠে জনপ্রিয় হলিউড অভিনেতা মর্গান ফ্রিম্যানের সাথে। কডাল রিগ্রেশন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত ঘানিমের জন্ম থেকেই পা নেই। নানা প্রতিকূলতা পাশ কাটিয়ে কাতারের জনপ্রিয় মোটিভেশনাল স্পিকার, ইউটিউবার ও মানবসেবী তিনি।


ইংল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছেন ঘানিম। সেই সাথে পালন করছেন ফিফার শুভেচ্ছাদূতের ভূমিকা। শান্তি ও মানুষের মধ্যে ঐক্যের মাধ্যমে মাইলফলক তৈরির কথা জানান ঘানিম। মানবকল্যাণে বিলিয়ে দিতে চান নিজেকে।


সেই লক্ষ্যে পরিবারের সহায়তায় গড়ে তোলেন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ঘানির মতো যারা পায়ে হেঁটে চলাচল করতে পারেনা না তাদেরকে উপহার হিসেবে দেয়া হয় হুইলচেয়ার। ২০১৪ সালে কুয়েতের আমির তাকে শান্তির দূত উপাধি দেন।

মন্তব্যসমূহ