মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

  ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনতার যুদ্ধ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ এবং মানুষের ভোটাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, বরং জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করে গণতন্ত্রকে পদদলিত করার ফলেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।  তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছিলেন, তারা অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে চাননি। এ কারণে স্বাধীনতা যুদ্ধের অসংখ্য ঘটনা, ত্যাগ ও বীরত্বগাঁথা এখনও যথাযথভাবে ইতিহাসে স্থান পায়নি, সেগুলো এখনও সাধারণ মানুষের কাছে অজানা রয়ে গেছে এবং সেই ইতিহাসকে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে ও জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। আজ শুক্রবার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস-এর ৫৪তম কমিশনিং ও ফেলোশিপ ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার পর এমন ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে যে, কেবল কয়েকটি ভাষণের মাধ্যমেই দ...

ক্ষমতায় শেখ হাসিনাই থাকবেন : শামীম ওসমান

 




আওয়ামী লীগের নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিক এ কে এম শামীম ওসমান বলেছেন, বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতেছে, সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্র আসতেছে। একটা কথা বলতে চাই, এতোদিন সহ্য করেছি, আর না। ছাড় হবে না। ২০২৪-এর জানুয়ারিতে যে নির্বাচন হবে, ক্ষমতায় শেখ হাসিনাই থাকবেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই থাকবেন।


আজ মঙ্গলবার সকালে সবুজবাগ এলাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের কর্মী সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।


বিএনপির উদ্দেশে শামীম ওসমান বলেন, জনগণের কাছে মাফ চান, আমরা আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছি আপনাদের কাছে মাফ চাই। স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যারা কথা বলেছে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক নেই, ভালো ভালো কথা বলেন, ভালো কথা বলে মানুষের কাছে ভোট চান। ভোটে আসেন ক্ষমতায়, কোনো আপত্তি নেই কিন্তু যদি অন্য পথে আসতে চান, লাভ হবে না।


তিনি বলেন, যারা আমার বঙ্গবন্ধুকে মারলো, ২১ আগস্টের ঘটনা ঘটালো, যারা রাজনীতির নামে মানুষকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে মারলো, সারা বাংলাদেশে একসঙ্গে বোমা হামলা করল, বিদেশ থেকে জাহাজ ভরে অস্ত্র নিয়ে এলো, কোর্টের ভেতরে ঢুকে জজ সাহেবকে মারলো, সাংবাদিকদের মারলো, এমনকি বোবা প্রাণী গরু ট্রাকের ভেতরে পুড়িয়ে মারলো; তাদের সঙ্গে গণতন্ত্রের চর্চা করবো?


তিনি বলেন, আদর্শের জন্য রাজনীতি করতে এসেছি। সেই কারণে কী পেলাম, কী দিলাম সেটা আমার দেখার বিষয় না। মৃত্যুর পরে আল্লাহর কাছে চলে যাব, দুনিয়াতে আমার কাছে সবচেয়ে বড় আমার দেশ। এবার যে খেলাটা হচ্ছে, আমার কথা হালকাভাবে নিয়েন না। আমি কাল মরে যেতে পারি। দেশটাকে ধ্বংস করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ওরা মানতে পারেনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা। শেখ হাসিনার যদি কিছু হয়, এই দেশ আর বসবাসের যোগ্য থাকবে না। আপনার আপন ভাই বিএনপি-জামায়াত করে, তাতেও লাভ হবে না।


বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আন্দোলন করেন, ভোট চান, ক্ষমতায় আসেন কিন্তু আবার যদি কেউ ভাবেন ১৫ আগস্ট, আবার ২১ আগস্ট, আবার জ্বালাও-পোড়াও? এবার আর জাতির পিতার কন্যার কথা শুনবো না। শুনবো না কারণ এরা আমার দেশকে মারতে আসছে। বাইরে থেকে টাকা আসছে, কোত্থেকে আসছে তাও জানি। যারা টাকার ব্যবস্থা করছে তারা কোন দেশে তাও জানি। জানি জন্য মাথার রক্ত গরম হয়ে যায়। বিভিন্ন কারণে জানতে পারি। খোঁজ-খবর নিয়ে রাজনীতি করি।

মন্তব্যসমূহ